বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের (Bangladesh's Prime Minister Tarique Rahman) সঙ্গে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের (Pakistan's Prime Minister Shehbaz Sharif) বৈঠক ঘিরে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার অর্থাৎ ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সদর দফতরের সেক্রেটারিয়েট বিল্ডিংয়ে।এই বৈঠক হয়। প্রতিবেশী দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নতির পাশাপাশি আঞ্চলিক থেকে আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি নিয়েও দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
বাংলাদেশের নতুন সরকার গঠনের পর ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন তারেক। যদিও ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে তাঁকে আমন্ত্রণ জানানো হলেও তিনি তা গ্রহণ করেননি। এর পাশাপাশি বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দীর্ঘদিন ধরে ভারতে থাকাও ভালো চোখে দেখছেন না খালেদা পুত্র। ঠিক যে সময় মনে করা হচ্ছিল ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক হয়তো অতটাও মধুর নেই ঠিক তখনই পাকিস্তানের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বন্ধুত্বপূর্ণ বৈঠক ঘিরে একাধিক জল্পনা ঘোরাফেরা করছে আন্তর্জাতিক মহলে। সূত্রের খবর বৈঠকে দুই দেশের জনগণের কল্যাণে সহযোগিতার সম্ভাব্য ক্ষেত্র নিয়েও গঠনমূলক মতবিনিময় করেছেন তারেক ও শরিফ। পারস্পারিক সহযোগিতার পথ খোলা রেখে দুই দেশের সম্পর্কের উন্নতি নিয়ে আশাবাদী দুই রাষ্ট্রপ্রধান।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে, পাকিস্তানের সঙ্গে বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠতাকে ভারত ঠিক কী চোখে দেখছে? কারণ নয়া দিল্লি কোনভাবেই ইসলামাবাদ এর সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখবে না তা আগেই স্পষ্ট করে দিয়েছে। এমনকি সম্প্রতি রাষ্ট্রপুঞ্জে সিন্ধু জলশক্তি নিয়ে পাকিস্তানের মিথ্যাচার ও ভন্ডামি ফাঁস করেছে ভারত। তবে বাংলাদেশের সঙ্গে মোদি সরকারের সুসম্পর্ক রয়েছে। এবার বৃহস্পতিবারের বৈঠকের পর ভারতের তরফ থেকে বাংলাদেশের সঙ্গে যোগাযোগ বা ব্যবসায়িক আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে কোন বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় কিনা সেটাই দেখার।
















