বলি অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর তদন্ত যার নেতৃত্বে করেছিল সিবিআই সেই আইপিএস অফিসার নূপুর প্রসাদ পেলেন রাষ্ট্রপতি পদক। ভারতে পুলিশ কর্মীদের জন্য প্রদত্ত সর্বোচ্চ সম্মাননাগুলোর মধ্যে অন্যতম হল 'বিশিষ্ট সেবার জন্য রাষ্ট্রপতির পদক' (President's Medal for Distinguished Service)। ২০০৭ সালের অ্যাগমুট ক্যাডারের এই অফিসার আগে দিল্লি পুলিশে ছিলেন। যদিও পরে তিনি সিবিআইতে যোগ দেন। সেখানে কাজের মেয়াদ শেষ করে ফের তিনি দিল্লি পুলিশে যোগ দিয়ে অর্থনৈতিক অপরাধ শাখার যুগ্ম কমিশনার পদে কর্মরত। পশ্চিমবঙ্গ এবং অরুণাচল প্রদেশেও বেশ কিছু কাজ করেছেন নূপুর।
আরও পড়ুন: ICCR-এ উত্তম জন্মশতবর্ষের বিশেষ প্রদর্শনী 'উত্তম - দ্য মহানায়ক', নিবেদনে শ্যামসুন্দর কোং জুয়েলার্স
প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের ১৪ জুন বান্দ্রার ফ্ল্যাট থেকে সুশান্তের দেহ উদ্ধার হয়। জলঘোলাও কম হয়নি এই নিয়ে জাতীয় রাজনীতিতে। অভিনেতাকে আত্মহত্যার প্ররোচনা দেওয়া, বিষ দেওয়া এবং সম্পত্তির হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল তাঁর বান্ধবী অভিনেত্রী রিয়া চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে। পরে এই ঘটনার তদন্তভার যায় সিবিআইয়ের হাতে। ২০২৫ সালে ঘটনার তদন্ত করে নূপুরের নেতৃত্বাধীন সিবিআই, আদালতে জানিয়ে দেয়, রিয়ার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ ভিত্তিহীন।
উল্লেখ্য, সিবিআই-তে যোগ দেওয়ার আগে দিল্লি পুলিশের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকেছেন নূপুর। শাহদারা নতুন জেলা হিসেবে ঘোষিত হওয়ার পর তিনি সেখানে প্রথম ডেপুটি কমিশনার হন। শাহদারায় মাদক চক্র এবং বেআইনি জুয়ার ব্যবসা আটকাতে বেশ কয়েকটি বড় অভিযান চালিয়েছিলেন তিনি। পরবর্তীকালে তিনি উত্তর দিল্লির ডিসিপি হিসেবে নিযুক্ত হন। সিবিআই-তে যোগ দিয়ে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মামলার তদন্তকারী দলেও ছিলেন তিনি। বিজয় মাল্যের বিরুদ্ধে মামলা এবং ‘অগাস্টা-ওয়েস্টল্যান্ড’ হেলিকপ্টার চুক্তি কেলেঙ্কারি মামলার সাথে তিনি যুক্ত ছিলেন। সিবিআই-তে তাঁর দায়িত্ব পালন শেষ করে দিল্লি পুলিশে ফিরে আসেন তিনি এবং 'ইকোনমিক অফেন্সেস উইং'-এর জয়েন্ট কমিশনার অফ পুলিশ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।











