রাজ্য সরকার গুন্ডাদমনের নামে প্রতিপক্ষ দমনের কালা কানুন তৈরি করেছে। স্বভাবতই প্রশ্ন উঠেছে, আইপিসি বা ন্যায় সংহিতার পরও কেন নতুন করে আইন করতে হচ্ছে? তবে কি আইপিসি বা ন্যায় সংহিতা যথার্থ নয়? আসলে নতুন যে কালা কানুন তৈরি করা হয়েছে, তা ন্যায়সঙ্গত নয়। রাজ্যে সদ্য কার্যকর হওয়া 'পশ্চিমবঙ্গ জননিরাপত্তা এবং সমাজবিরোধী কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ আইন' বা 'গুন্ডাদমন আইন'কে চ্যালেঞ্জ করে মামলাও হয়েছে৷ সোমবার থেকে রাজ্যে কার্যকর হয়েছে 'গুন্ডাদমন আইন ২০২৬'।

আরও পড়ুন: নির্ধারিত সময়সীমা পার করে বাড়তি সময় ঋতব্রতদের, নির্বাচন কমিশনকে তুলোধোনা মমতাপন্থী তৃণমূলের

তৃণমূলের বেলেঘাটার বিধায়ক তথা রাজ্য সভাপতি কুণাল ঘোষ এ-প্রসঙ্গে বলেন, "এই আইনে এমন কিছু রয়েছে, যা বিপজ্জনক। অপব্যবহারের আশঙ্কা থেকে যাচ্ছে একশো শতাংশ। এই আইন থেকে বেশ কিছু বিষয় আমরা বাদ দিতে বলেছিলাম। কিন্তু তাতে কর্ণপাত করা হয়নি। এই আইনে রয়েছে বিনা বিচারে আটকে রাখার নিদান। অভিযুক্ত কোনও আইনজীবী দিতে পারবে না। কোর্টে প্রডিউস করতে হবে না। কোর্ট এবং বিচারব্যবস্থাকে বাইপাস করে পুলিশকেই সর্বেসর্বা করে দেওয়া হয়েছে এই আইনে। আমরা এই বিতর্কিত বিষয়গুলি বাদ দিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু সরকার পক্ষের উদ্যোগে স্পষ্ট, প্রতিপক্ষ দমনের উদ্দেশ্য নিয়েই এই কালাকানুন তৈরি করা হয়েছে।"