Site Logo

নির্ধারিত সময়সীমা পার করে বাড়তি সময় ঋতব্রতদের, নির্বাচন কমিশনকে তুলোধোনা মমতাপন্থী তৃণমূলের

EBBS Desk··1 min read
নির্ধারিত সময়সীমা পার করে বাড়তি সময় ঋতব্রতদের, নির্বাচন কমিশনকে তুলোধোনা মমতাপন্থী তৃণমূলের

জাতীয় নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা ও কেন্দ্রীয় এজেন্সির ভূমিকা নিয়ে এবার মমতাপন্থী তৃণমূলের তরফে সরব হলেন মহুয়া মৈত্র ও সাগরিকা ঘোষ। যদিও এই প্রথম নয়, আগেও তৃণমূলের তরফে দল ভাঙানোর ক্ষেত্রে 'বিক্ষুব্ধ' শিবিরকে কমিশন বাড়তি সুবিধা পাইয়ে দিচ্ছে বলে অভিযোগ তোলা হয়েছে। সোমবার, সাংবাদিক বৈঠক থেকে নির্ধারিত সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়ার পরও কেন ঋতব্রতদের বাড়তি ছাড় দেওয়া হচ্ছে, এই নিয়ে প্রশ্ন তুললেন মহুয়া। জানালেন, খোদ নির্বাচন কমিশনের সচিবকে এই নিয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার এই নিয়ে দিল্লি থেকে মোদি সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে নিশানা করল মমতাপন্থী তৃণমূল।

Sponsored

Sranchi In Article

চলতি মাসের শুরুতে 'বিক্ষুব্ধ' শিবির নির্বাচন কমিশনে একটি আবেদন জমা দেয়। চিঠির মাত্র ৪-৫ ঘণ্টার মধ্যে অতিসক্রিয়তা দেখিয়ে তৃণমূলকে নোটিশ পাঠানো হয় এবং দু-পক্ষকেই জবাব দেওয়ার জন্য ৬ জুলাই পর্যন্ত সময়সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়। গত ৬ জুলাই তৃণমূলের লোকসভার চিফ হুইপ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, মহুয়া মৈত্র এবং সাগরিকা ঘোষের প্রতিনিধি দল সশরীরে দিল্লির নির্বাচন সদনে গিয়ে জবাব জমা দেন। কিন্তু প্রতিদিনই সময়সীমা বাড়াতে থাকে ঋতব্রত শিবির। এই নিয়ে মহুয়া মৈত্র অভিযোগ করেন, "আমরা সময়ে জবাব দিলেও অপর পক্ষ কোনও ই-মেল বা সশরীরে হাজিরা দেয়নি। উল্টে তারা ১০ জুলাই পর্যন্ত যে বাড়তি সময় চেয়েছিল, কমিশন সেটা মঞ্জুর করে। কিন্তু আজ ১৩ জুলাই হয়ে গেলেও তাদের কোনও জবাব জমা পড়েনি। তৃণমূলের দেওয়া নথির ওপর ভিত্তি করে যাতে বিরোধী পক্ষ জবাব সাজাতে পারে, তার জন্যই কি এই অতিরিক্ত সময় দেওয়া হচ্ছে?"

Sponsored

Merlin In Article

Sponsored

Shyam Sundar In Article

মহুয়া অভিযোগ তোলেন, "২ কোটি ৬০ লক্ষ মানুষ আমাদের ভোট দিয়েছে। যারা এই বাস্তবতা জানে তাঁদের জবাব দিতে সময় লাগবে না। তাঁরা কাগজ জমা দিতে পারবে। এটা লজ্জাজনক যে নির্বাচন কমিশন আমাদের জানানোর প্রয়োজন মনে করেনি যে গদ্দার গ্যাং আরও ১৫ দিন বাড়তি সময় চেয়ে নিয়েছে। এত লুকোচুরি কেন? এই প্রথম দেখলাম মুখ্যমন্ত্রী ও সরকার সিদ্ধান্ত নিচ্ছে কে বিরোধী হবে। এত যদি ভালোবাসা তাহলে নিয়ে নাও, 'বাফার জোন' করে রাখলেন কেন? হয়ত ২১শে জুলাই কি বলতে হবে সেটাও লিখে দেওয়া হচ্ছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর চিঠিতে স্পষ্ট জানিয়েছেন, যেহেতু অপর পক্ষ নির্দিষ্ট ডেডলাইন মানতে পারে নি তাই তাদের আর বাড়তি সময় না দিয়ে কেবল মাত্র ৬ জুলাই জমা পড়া তৃণমূলের নথির ভিত্তিতেই যেন কমিশন তদন্তের নিষ্পত্তি করে।"

Sponsored

Camelia In Article

Sponsored

Techno India In Article

এরপরেই ইডির ভূমিকা নিয়ে সরব হয়ে সাগরিকা ঘোষ বলেন, "২০১৪ সালের পর থেকে ইডির ৯৫ শতাংশ মামলাই করা হয়েছে বিরোধী নেতাদের বিরুদ্ধে। ইডিকে হাতিয়ার করে বিজেপি আসলে দেশকে 'ওয়ান-পার্টি স্টেট'-এ পরিণত করতে চায়। অরুণাচল বা মধ্যপ্রদেশের বিজেপি মুখ্যমন্ত্রীদের বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগে কেন কেন্দ্রীয় এজেন্সি চুপ। ইডির ভূমিকা সম্পূর্ণরূপে অসাংবিধানিক ও অসংসদীয়। ওটা আসলে 'ভর্তি জনতা পার্টি'। ট্যালেন্ট নেই, ক্ষমতা নেই। এক নেতার পোস্টার লাগিয়ে আপনি নেতা হয়েছেন। সেই পার্টি হেরে গেলেই অন্য দলে?" আয়ুষ্মান ভারত নিয়ে তোপ দেগে তিনি বলেন, "মানুষের জীবন জীবিকা নিয়ে খেলা হচ্ছে। অভিষেককে নিয়ে এসব করা হচ্ছে কিন্তু কুম্ভমেলাতে যখন মানুষ পদপিষ্ট হয়ে মারা গিয়েছিল তখন ইডি কোথায় ছিল? কটা এফআইআর করা হয়েছিল? চেপে দেওয়া হয়েছিল গোটা বিষয়টি। অরুণাচলের মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্ট তদন্ত করতে বলেছে কিন্তু ইডি যাবেনা। ইডি শুধু যেখানে বিরোধী আছে সেখানেই যাবে। বিজেপি বিরোধী দলগুলিকে শেষ করে দিতে চায়।" 

Sponsored

Probe In Article

Related Articles

More from শিরোনাম

View All →