উপনির্বাচনের সকালে নন্দীগ্রামের (Nandigram) গড়চক্রবেড়িয়ায় পুলিশের অতিসক্রিয়তার বিরুদ্ধে গর্জে উঠলেন স্থানীয়রা। মহিলা-সহ স্থানীয় ভোটারদের উপর হামলার অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধান (Milan Pradhan) ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশের কাছে গোটা বিষয়টি তুলে ধরতে গেলে পুলিশ কার্যত সেই সব অভিযোগ অস্বীকার করে। এমনকি ভোটারদের কথাকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ উঠছে নন্দীগ্রামে। 

পদ্মশাসিত বাংলার প্রথম উপনির্বাচনে শাসকের দলদাস হয়ে কাজ করার অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে। নন্দীগ্রাম থেকে রেজিনগর জায়গায় ভোটারদের বাধা দেওয়া ও ভয় দেখানোর অভিযোগ বিজেপি সমর্থকদের বিরুদ্ধে। পুলিশের বিরুদ্ধে কংগ্রেস এজেন্টকে বুথে ঢুকতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তোলেন নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধান (Milan Pradhan)। ভোটারদের ভয় দেখিয়ে বুথে আসতে বাধা দেওয়া হচ্ছে বলেও সরব হয়েছেন তিনি।নন্দীগ্রাম ১ নম্বর ব্লকের কংগ্রেস সভাপতিকে আটক করেছে পুলিশ। সরবেড়িয়ার ১১২ নম্বর বুথে সিপিআই এজেন্টকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ, ভর্তি হাসপাতালে। 

মঙ্গলবার সকাল থেকে রেজিনগরে তুমুল উত্তেজনা।পুলিশের বিরুদ্ধে উস্কানি ও আইন ভঙ্গের অভিযোগে গ্রেফতার আম জনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীর (Humayun Kabir)। ভোটগ্রহণ পর্বের শুরুতেই ছেলে এবং পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে বুথে হাজির হন বিধায়ক। পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দিয়ে বলেন, ভোট লুট করতে সাহায্য করছে পুলিশ। পুলিশের বিরুদ্ধে মুগুর নিয়ে সাধারণ মানুষকে দাঁড়াতে বলেন হুমায়ুন। এরপরই তাঁকে প্রথমে আটক ও পরে গ্রেফতার করা হয়। এই ঘটনায় হুমায়ুনকে কটাক্ষ করে বিজেপি প্রার্থী শাখারভ সরকার বলেন, 'পরাজয়ের আর্তনাদ শুরু করেছেন হুমায়ুন।' ঘটনার জেরে এখনও রেজিনগরে উত্তেজনা রয়েছে।