এসআইআর নিয়ে সাম্প্রতিক খবরের জেরে দেশজুড়ে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সমালোচনার ঝড় উঠছে। কিন্তু কমিশনের মধ্যে যে কোনও বিভাজন নেই তা নিয়ে সরব হলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। SIR ইস্যুতে তৃণমূল-সিপিএমকে একযোগে আক্রমণ, কটাক্ষ কংগ্রেসকেও।একই সঙ্গে এসআইআর ইস্যুতে তৃণমূল ও সিপিএমের যৌথ অবস্থানকে বেনজির আক্রমণ শানান তিনি।
রবিবার সকালে তিন নির্বাচন কমিশনাররের একসঙ্গে ছবি দেখিয়েই বিরোধীদের তুলোধনা করলেন মুখ্যমন্ত্রী। সল্টলেকে দলীয় কার্যালয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “নির্বাচনে পরাজয় মেনে নিতে পারছে না তৃণমূল। জনতার রায়কে অস্বীকার করছে। এখন ভোটে হেরে বিভ্রান্তির চেষ্টা। দলের নামও বদলে গিয়েছে। ভোটে তৃণমূল কংগ্রেস নাম নিয়ে লড়েছিল, এখন নাম বদলে ফেলেছে। গতকাল শ্রীরামপুরে ১৫০ জনকে নিয়ে মিটিং করেছেন ১৫ বছর ক্ষমতায় থাকার পর। ৩৪ বছরের সিপিএমের অত্যাচারের উপর দাঁড়িয়ে তৃণমূলের জন্ম। মহাশূন্যে বিচরণ করা সিপিএমের পাশে এখন তৃণমূল। বিধানসভাতেও তৃণমূল-সিপিএমের বন্ধুত্ব দেখেছি।”
সাইবাড়ি, মরিচঝাপি, নন্দীগ্রামের প্রসঙ্গ টেনে সিপিএমকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন মুখ্যমন্ত্রী। একইসঙ্গে টানেন কেরলমে বাম ও কংগ্রেসের বিরোধ প্রসঙ্গও। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “কেরলমে কংগ্রেসের কাছে এসআইআর ভালো। পশ্চিমবঙ্গে তোতো! সেখানে এসআইআর না হলে সিপিএমকে হারাতে পারত না কংগ্রেস। এ রাজ্যে কংগ্রেস খাতা খুলেছে কতদিন থাকবেন জানি না। এর আগে সাদরদিঘী আমার দেখেছি। সিপিএম এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ও টক শো-তে আছে। সিপিএম নিয়ে যত কম কথা বলা যায় তত ভালো।”
কমিশনের অন্দরের এই ‘বিরোধ’ প্রকাশ্যে আসার পর গোটা দেশ তোলপাড়়। বিরোধীরা একজোট হয়ে জ্ঞানেশের পদত্যাগ এবং গ্রেফতারির দাবি তুলেছেন। এই পরিস্থিতিতে শনিবারই তিন কমিশনার বৈঠকে বসেন। তাঁদের একত্রে বসার ছবি প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন। যা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “এসআইআরের সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের একার কারোর ছিল না। এসআইআরের সিদ্ধান্ত ইসিতে সর্ব সম্মতছ, আপনারা কেরলমে একসঙ্গে আন্দোলন করুন। রাহুল গান্ধী, এমএ বেবি ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আন্দোলন করুন। এথানে এসআইআর ভালো খালি বিহার ও পশ্চিমবঙ্গে খারাপ। ”
















