চিন্ময় প্রভুর (Chinmoy Krishna Das) মুক্তির দাবিতে শনিবার শিয়ালদহ (Sealdah) থেকে বাংলাদেশ হাই কমিশনের (Deputy High Commission of Bangladesh) উদ্দেশে পদযাত্রার আয়োজন করেছিল এনসিপিআই (NCPI)। কিন্তু সেই মিছিলে দেখা গেল না তৃণমূল থেকে এনসিপিআই-তে যোগ দেওয়া সাংসদদের। ছিলেন না কাকলি ঘোষ দস্তিদার (Kakoli Ghosh Dastidar), সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়রা (Sudip Bandyopadhyay)। দলের প্রতিষ্ঠাতা উত্তীয় কুণ্ডুর (Uttiya Kundu) নেতৃত্বে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে সাধুসন্তদের পাশাপাশি এনসিপিআই-এর বেশ কয়েকজন সদস্যও অংশ নেন। শিয়ালদহ থেকে বাংলাদেশ হাই কমিশন পর্যন্ত যাওয়ার কথা থাকলেও বেকবাগানের কাছে মিছিল আটকে দেয় পুলিশ। ফলে নির্ধারিত গন্তব্যে পৌঁছতে পারেনি পদযাত্রা।
এদিনের কর্মসূচিতে ২০ সাংসদের অনুপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই উত্তীয় কুণ্ডু জানান, তাঁরা পরবর্তী কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। তাঁর দাবি, সাংসদদের নিয়ে দলের কর্মসূচি এগিয়ে যাবে। এর মধ্যেই ওই ২০ সাংসদের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে নজর রয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। তাঁদের নামের পাশে এখনও "অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস"-এর পরিচয় রয়েছে। এনসিপিআই-তে তাঁদের যোগদান এবং সাংসদ পদ নিয়ে তৈরি হওয়া আইনি জটিলতার নিষ্পত্তি এখনও হয়নি।
এই মামলায় লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লার ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চ জানিয়েছে, গোটা প্রক্রিয়ায় স্পিকারের পদক্ষেপের উপর আদালতের নজর থাকবে। ২০ সাংসদের সাংসদ পদ কেন খারিজ করা হবে না, তা জানতে চেয়েছে আদালত। সেই জবাব দেওয়ার জন্য ফের সময় চেয়েছেন সংশ্লিষ্ট সাংসদরা। ফলে তাঁদের সাংসদ পদ এবং রাজনৈতিক পরিচয়, দু’টি বিষয়ই আপাতত আদালতের পরবর্তী পদক্ষেপের উপর নির্ভর করছে।
এই পরিস্থিতিতে কলকাতা পুরভোট নিয়েও এনসিপিআই-এর অবস্থান স্পষ্ট করেছেন উত্তীয়। এখনই পুরভোটে লড়াইয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি বলেই জানিয়েছেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, আগে সংগঠনকে শক্তিশালী করা হবে, তার পর নির্বাচনে অংশ নেওয়ার কথা ভাবা হবে।















