বসিরহাট সাংগঠনিক জেলা বিজেপির অন্দরে টাকা লেনদেন ও দলীয় পদ নিয়ে 'সেটিং'-এর অভিযোগ !ইতিমধ্যেই দুটি ভিডিও সামনে এসেছে (সত্যতা যাচাই করেনি বিশ্ববাংলা সংবাদ), যা নিয়ে রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বসিরহাটে। ওই ভিডিওর নিরিখে অভিযোগ উঠেছে, টাকির একটি হোটেলে বসিরহাটের বিজেপি জেলা সভাপতি সুকল্যাণ বৈদ্যর ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত বিজেপি নেতা সুজিত বিশ্বাস, টাকি বিজেপির পুরমণ্ডল সভাপতি রনজিৎ দাস-সহ কয়েকজন মণ্ডল স্তরের নেতা উপস্থিত ছিলেন। দাবি, সেখানে প্রাক্তন তৃণমূল কংগ্রেসের পুরপ্রতিনিধি ফারুক গাজির (বর্তমানে ডেমোক্র্যাটিক তৃণমূল) সঙ্গে টাকা লেনদেনের বিষয় প্রকাশ্যে এসেছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জেলা সভাপতির প্রতিনিধিত্ব করছিলেন বলে জানা গিয়েছে। এখানেই শেষ নয়, ভিডিওতে একটি বস্তা দেখা গিয়েছে যেখানে টাকা রয়েছে বলে অভিযোগ (যদিও ভিডিও দেখে তা স্পষ্ট নয়)। এনিয়ে বসিরহাট জেলা বিজেপির কোনও নেতৃত্বই মুখ খুলতে চায়নি।

চাঞ্চল্যকর অন্য একটি ভিডিওকে ঘিরে আরও অভিযোগ, নিউ টাউনের একটি হোটেলে সুজিত বিশ্বাসের নেতৃত্বে মণ্ডল সভাপতি-সহ কয়েকজন নেতা ফারুক গাজির সঙ্গে অর্থ ও দলীয় পদ সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনা করছেন। পাশাপাশি দলের এক নির্দিষ্ট কার্যকর্তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের কথাও ভিডিওতে উঠে এসেছে বলে দাবি করা হয়েছে। যদিও ওই ভাইরাল ভিডিও এবং এই সমস্ত অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণের জন্য ভিডিওগুলির মূল উৎস, রেকর্ডিংয়ের তারিখ, উপস্থিত ব্যক্তিদের পরিচয় এবং কথোপকথনের পূর্ণ প্রেক্ষাপট যাচাই করা হয়নি। কারণ বিজেপির কোনও নেতাই এনিয়ে মুখ খুলতে চায়নি। সংশ্লিষ্ট বিজেপি নেতা ও টাকির ভাইস চেয়ারম্যান ফারুক গাজির বক্তব্যও এই বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ।উল্লেখ্য, ২০২৫ সালে সুকল্যাণ বৈদ্য বসিরহাট সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি হওয়ার পর দলের অভ্যন্তরে ক্ষোভ ও আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত অভিযোগ প্রকাশ্যে এসেছিল বলে একাধিক সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল। তবে সেই সময়ও অভিযোগগুলি নিয়ে পাল্টা বক্তব্য দিয়েছিল বিজেপির পক্ষ। এই নতুন ভিডিওগুলিকে ঘিরে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে বিজেপির জেলা নেতৃত্ব কী ব্যাখ্যা দেয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।