রাজ্যে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর প্রথম নির্বাচনী পরীক্ষায় নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে বিপুল ভোট পড়ল। দুই কেন্দ্রেই গড়ে প্রায় ৮০ শতাংশের বেশি ভোট পড়েছে। তবে বিপুল উদ্দীপনার মধ্যেই দিনভর রিগিং ও বুথ দখলের অভিযোগে সরব হয়েছে বিরোধীরা। শাসক বিজেপি অবশ্য সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে রেকর্ড জয়ের দাবি করেছে।
সকালে রেজিনগরে ভোটলুটের অভিযোগ তুলে পুলিশ ও মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে নিশানা করায় গ্রেফতার হন আমজনতা উন্নয়ন পার্টির হুমায়ুন কবীর। তাঁর পুত্র তথা দলীয় প্রার্থী গোলাম নবি আজাদ গণনা বয়কটের ডাক দেন। এজেন্টদের বের করে দেওয়ার অভিযোগে তৃণমূলের বিভিন্ন গোষ্ঠী, কংগ্রেস, বাম ও আইএসএফ পুনর্নির্বাচনের দাবি তুলেছে। অধীর চৌধুরীর নেতৃত্বে রেজিনগর থানার সামনে বিক্ষোভ দেখায় কংগ্রেস, কমিশনের দ্বারস্থও হয় তারা। অভিযোগ খারিজ করে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য দাবি করেন, মানুষ কারখানা ও উন্নয়নের পক্ষেই ভোট দিয়েছেন।
অন্যদিকে নন্দীগ্রামে নিজের ভোট দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, বিজেপি প্রার্থী রেকর্ড ব্যবধানে জিতবেন। যদিও নন্দীগ্রামেও এজেন্ট বসতে না দেওয়া ও পুলিশি হেনস্থার অভিযোগ তুলেছে কংগ্রেস, বাম ও আইএসএফ। বিজেপি নেতৃত্ব বিরোধীদের যাবতীয় নালিশকে ভিত্তিহীন ও পরাজয়ের আগাম অজুহাত বলে কটাক্ষ করেছে।















