Site Logo

আরজি কর দুর্নীতি মামলা: তদন্তে গতি, সন্দীপের বিরুদ্ধে বিচারে ইডিকে সবুজ সংকেত রাজ্যের

EBBS Desk··1 min read
আরজি কর দুর্নীতি মামলা: তদন্তে গতি, সন্দীপের বিরুদ্ধে বিচারে ইডিকে সবুজ সংকেত রাজ্যের

আরজি কর হাসপাতালের আর্থিক দুর্নীতির মামলায় প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের জন্য শেষমেশ প্রয়োজনীয় অনুমোদন পেল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। রাজ্য সরকারের এই ছাড়পত্র না মেলার কারণে এতদিন ধরে থমকে ছিল বিচারপ্রক্রিয়া। বুধবার কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তরফে কলকাতার নগর দায়রা আদালতে সরকারের এই অনুমোদনের কথা জানানো হয়েছে। এর ফলে প্রাক্তন অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে মামলার কাজ দ্রুত এগোবে বলে মনে করা হচ্ছে। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে আগামী ৭ জুলাই। 

Sponsored

Sranchi In Article

আরজি কর কাণ্ডে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে সন্দীপ ঘোষকে গ্রেফতার করেছিল ইডি। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা তাদের প্রথম চার্জশিটে প্রাক্তন অধ্যক্ষকে অন্যতম প্রধান অভিযুক্ত হিসেবে উল্লেখও করে। তবে আইনি জটিলতায় সন্দীপের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করা যাচ্ছিল না। নিয়ম অনুযায়ী, কোনও ব্যক্তি সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকাকালীন তাঁর বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম বা দুর্নীতির অভিযোগ উঠলে, চার্জশিট দিয়ে বিচারপ্রক্রিয়া শুরু করার জন্য সংশ্লিষ্ট সরকারি দফতরের অনুমোদনের প্রয়োজন হয়। সন্দীপের ক্ষেত্রে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের সেই অনুমোদনের অপেক্ষা করছিল ইডি। অবশেষে সেই জট কাটল। 

Sponsored

Merlin In Article

এই আর্থিক দুর্নীতি মামলায় ইতিমধ্যেই বিচারভবনে প্রথম চার্জশিট জমা দিয়েছে ইডি। সূত্রের খবর, চার্জশিটে সন্দীপ ঘোষ ছাড়াও নাম রয়েছে দুই ব্যবসায়ী বিপ্লব সিংহ এবং সুমন হাজরার। ধৃত এই দুই ব্যবসায়ী আরজি কর হাসপাতালে চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহের কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। উল্লেখ্য, ইডির আগে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই-ও এই আর্থিক অনিয়মের মামলায় চার্জশিট পেশ করেছিল। 

Sponsored

Shyam Sundar In Article

ইডির মূল অভিযোগ, আরজি কর হাসপাতালের সরকারি অ্যাকাউন্ট থেকে ঠিকাদারদের অ্যাকাউন্টে জমা হওয়া বিপুল পরিমাণ টাকা সুপরিকল্পিতভাবে অন্য জায়গায় সরিয়ে ফেলা হয়েছে এবং সেই টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। ঠিকাদারদের সঙ্গে যোগসাজশ করে তাঁদের ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের নামে চেক লিখে ব্যাংক থেকে টাকা তোলা হয়েছে কিংবা অন্য সহযোগী সংস্থায় সেই অর্থ পাচার করা হয়েছে। পরে সেই টাকা নগদে তুলে নেওয়া হয়। কেন্দ্রীয় সংস্থার দাবি, অপরাধের সূত্র আড়াল করতেই এই পদ্ধতি নেওয়া হয়েছিল এবং এই গোটা প্রক্রিয়ার নেপথ্যে সক্রিয় যোগ ছিল প্রাক্তন অধ্যক্ষের। সরকারের অনুমোদন মেলায় এবার সেই অপরাধের বিচারপ্রক্রিয়া গতি পাবে বলেই মনে করছেন আইনজ্ঞরা।

Sponsored

Camelia In Article

Sponsored

Techno India In Article

Sponsored

Probe In Article

Related Articles

More from রাজ্য

View All →