নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে (Congress candidate Milan Pradhan) ঘিরে আইনি জটিলতা আপাতত কলকাতা হাই কোর্টেই (Calcutta High Court) গড়াল। তাঁর গ্রেফতার এবং জামিন সংক্রান্ত বিষয়ে হাই কোর্ট আগে যে নির্দেশ দিয়েছিল, তাতে পরিবর্তন আনেনি সুপ্রিম কোর্ট (সুপ্রিম কোর্ট)। রাজ্যের আবেদন খতিয়ে দেখার পর মামলাটি ফের হাই কোর্টে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। ফলে মিলনের বিরুদ্ধে থাকা অভিযোগগুলির আইনগত নিষ্পত্তির দায়িত্বও এখন হাই কোর্টের হাতেই।
আরও পড়ুন: কার্তিক মহারাজের পর মিঠুন! ক্যাবিনেট মন্ত্রীর মর্যাদার পরামর্শদাতা পদে বসাল রাজ্য সরকার
মিলন প্রধানের বিরুদ্ধে একাধিক পুরনো মামলা রয়েছে। ২০০৭ সালের নন্দীগ্রাম থানার একটি মামলায় তাঁকে প্রথম গ্রেফতার করা হয়েছিল। পরবর্তীতে আরও কয়েকটি মামলায় তাঁর নাম যুক্ত হয়। এমনকি হলদিয়ার একটি মামলায় তাঁকে জেল হেফাজতে থাকা অবস্থায় অন্য মামলায় গ্রেফতার দেখানোর অভিযোগও ওঠে। নির্বাচনের আগে তাঁকে গ্রেফতার করার ঘটনায় তাঁর পরিবার রাজনৈতিক উদ্দেশ্যের অভিযোগ তোলে। তাঁদের বক্তব্য ছিল, ভোটে প্রার্থী হওয়ার পরই পুরনো মামলাগুলিতে তাঁকে বারবার আইনি জটিলতায় ফেলা হয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে আদালতের দ্বারস্থ হন মিলন। কলকাতা হাই কোর্ট তাঁকে কয়েকটি শর্ত মেনে অন্তর্বর্তী জামিন দেয় এবং ২০ অক্টোবর পর্যন্ত তাঁর বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট মামলাগুলিতে সুরক্ষা বজায় রাখে। হাই কোর্টের সেই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে সুপ্রিম কোর্টে যায় রাজ্য সরকার। রাজ্যের দাবি ছিল, ভোটের সঙ্গে মিলনের গ্রেফতারির কোনও সম্পর্ক নেই। তাঁকে ২০ অক্টোবর পর্যন্ত সুরক্ষা দেওয়ার প্রয়োজনীয়তাও নেই বলে আদালতে জানায় রাজ্য।
আরও পড়ুন: ফের বহুতল ধসের আতঙ্ক দিল্লিতে! সীমাপুরীতে হুড়মুড়িয়ে ভাঙল পাঁচতলা বাড়ি
শুনানিতে মামলার পুরনো ঘটনাপ্রবাহ নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। প্রধান বিচারপতি জানতে চান, ২০০৭ সালের পর মিলন প্রধানের বিরুদ্ধে ঠিক কী ধরনের অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। রাজ্যের বক্তব্য এবং মিলনের পরিবারের অভিযোগ দুই পক্ষের দাবিই সামনে আসে আদালতে। শেষ পর্যন্ত অবশ্য সুপ্রিম কোর্ট নিজে থেকে বিষয়টির চূড়ান্ত নিষ্পত্তি করেনি। হাই কোর্টের আগের নির্দেশ বহাল রেখে মামলাটি কলকাতা হাই কোর্টে ফেরত পাঠানো হয়েছে। এখন মিলনের বিরুদ্ধে থাকা মামলাগুলির পরবর্তী আইনি সিদ্ধান্ত সেখানেই হবে।















