Site Logo

চেন্নাইতে কাজে গিয়ে মৃত্যু মালদহের পরিযায়ী শ্রমিকের!

EBBS Desk·
চেন্নাইতে কাজে গিয়ে মৃত্যু মালদহের পরিযায়ী শ্রমিকের!

আট দিন নিখোঁজ থাকার পর চেন্নাইতে বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকের (West Bengal Migrant Worker) ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার। মালদহের হরিশচন্দ্রপুরের মশালদহ বাজার এলাকার বাসিন্দা ছিলেন বছর উনত্রিশের আলমগীর আলম। তিনি পরিবারের একমাত্র রোজগেরে সদস্য ছিলেন। পরিবারের সদস্যদের মুখে দুমুঠো অন্ন তুলে দিতে নিজের বাড়ি ছেড়ে অন্য রাজ্যে গিয়েছিলেন। সেখানে গিয়ে তাঁকে খুন হতে হবে এটা আশা করেনি পরিবার। তাঁর মৃত্যুর খবরে আলমের পরিবারের সদস্যরা অথৈ জলে।

Sponsored

Sranchi In Article

চেন্নাই থেকে দেহ ফেরাতে স্থানীয় প্রশাসনের সাহায্য চেয়েছেন আলমের স্ত্রী। বাড়িতে স্ত্রী তাঁর দুই সন্তানকে নিয়ে থাকেন। মৃত আলমের ভাই আবু সামা বলেন, চেন্নাইতে কাজের জন্য গিয়েছিলেন দাদা। ৯ দিন আগে অন্য একটি কাজের জন্য তাঁর হায়দরাবাদ যাওয়ার কথা ছিল। চেন্নাই থেকে হায়দরাবাদ যাওয়ার জন্য ট্রেনে ওঠেন আলমগির। তার আগে স্ত্রী হাবানুর খাতুনের সঙ্গে ফোনে কথাও বলেন। কিন্তু তারপর থেকে তাঁর আর কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। কোনভাবেই যোগাযোগ করা যাচ্ছিল না। আলমের সহকর্মীরা স্থানীয় থানায় তাঁর নিখোঁজ হওয়ার বিষয়ে জানিয়েছিলেন। আটদিন পর চেন্নাইয়ের যে স্টেশন থেকে হায়দরাবাদ যাওয়ার উদ্দেশ্যে তাঁর ট্রেনে ওঠার কথা ছিল, তার পরবর্তী স্টেশনের কাছাকাছি এলাকায় রেললাইনের ধারে জঙ্গল থেকে আলমের ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার হয়। আরও পড়ুন: তৃণমূলের চাপে সুপ্রিম নির্দেশ মেনে শনিবারের মধ্যেই লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির তালিকা প্রকাশের পথে কমিশন

Sponsored

Merlin In Article

এই পরিস্থিতিতে হরিশ্চন্দ্রপুরের বাসিন্দাদের কাছে সাহায্যের আবেদন জানিয়েছে অসহায় পরিবার। দেহ কীভাবে বাড়িতে ফিরবে তা নিয়েও সংশয় রয়েছে। যদিও স্থানীয় প্রশাসন এ বিষয়ে আলমের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে। বাংলা ছেড়ে পরিযায়ী শ্রমিকরা অন্য রাজ্যে কাজে গিয়ে তাঁদের খুন হতে হচ্ছে। বিজেপিশাসিত রাজ্যে বাঙলি পরিযায়ী শ্রমিকদের হেনস্থার শিকার হচ্ছেন। কেন? তাঁদের কেন কোনও নিরাপত্তা নেই? কেন নিয়ে চুপ কেন্দ্র?

Sponsored

Shyam Sundar In Article

-

Sponsored

Camelia In Article

-

Sponsored

Techno India In Article

-

Sponsored

Probe In Article

-

-

-

-

Related Articles

More from শিরোনাম

View All →