Site Logo

মমতার দাবিকে সুপ্রিম মান্যতা! মাইক্রো অবজারভাররা নন, সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত ERO-দের: ৭দিন সময়সীমা বৃদ্ধির নির্দেশ

EBBS DESK·
মমতার দাবিকে সুপ্রিম মান্যতা! মাইক্রো অবজারভাররা নন, সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত ERO-দের: ৭দিন সময়সীমা বৃদ্ধির নির্দেশ

মাইক্রো অবজারভার নিয়ে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) দাবিকেই মান্যতা শীর্ষ আদালতের। ভোটার তালিকা তৈরিতে সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত নেবেন ERO-রাই। সোমবার, এই নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। একই সঙ্গে ভোটার তালিকা যাচাই করতে ১৪ ফেব্রুয়ারির পরে আরও এক সপ্তাহ সময় দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালতের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ। নিরাপত্তা নিয়ে রাজ্যের ডিজিপি পীযূষ পাণ্ডেকে শোকজ করে সুপ্রিম কোর্ট।

Sponsored

Sranchi In Article

এদিন শুনানিতে শীর্ষ আদালত নির্দেশ দেয়, প্রয়োজনে নির্বাচন কমিশন (Election Commission) ইআরও এবং এইআরও-দের পরিবর্তন করতে পারবে। বর্তমান অফিসাররা যোগ্য মনে হলে তাঁদেরও ব্যবহারও করতে পারবে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন ইআরও-রাই। কিন্তু মাইক্রো অবজারভার ও এই অফিসারেরা শুধুমাত্র সাহায্য করবেন।

Sponsored

Merlin In Article

এর পাশাপাশি সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) আরও নির্দেশ দিয়েছে, নথি যাচাই সম্পূর্ণ করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে ১৪ ফেব্রুয়ারির পরে আরও এক সপ্তাহ সময় দেওয়া হবে ইআরও-দের। সেই কারণেই সময় দেওয়া হবে।

Sponsored

Shyam Sundar In Article

এখন পর্যন্ত শুধু বাংলাতেই রাজ্যের বাইরে থেকে মাইক্রো অবজারভার নিয়োগ করে গণহারে নাম বাদ দেওয়ার অভিযোগ তোলা হয়েছিল নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে। এই মামলার আগের শুনানিতেই গ্রুপ বি আধিকারিক দেওয়া হবে বলে রাজ্যের তরফে জানানো হয়। ৪ ফেব্রুয়ারি ইতিহাস গড়ে দেশের শীর্ষ আদালতে নিজে সওয়াল করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে প্রশ্ন তুলে দিয়েছিলেন মাইক্রো অবজার্ভারদের ভূমিকাকে কাঠগড়ায় তুলে৷ ভোটারদের নাম সংযোজন না করে কিভাবে বৈধ ভোটারদের নাম বাদ দিচ্ছে মাইক্রো অবজার্ভাররা, প্রশ্ন তুলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী৷  রাজ্য সরকার এই মাইক্রো অবজার্ভারদের বিকল্প অফিসার দিতে প্রস্ত্তত, প্রধান বিচারপতিকে জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী৷ শুধুমাত্র বাংলার জন্য কেন মাইক্রো অবজার্ভার দেওয়া হল, সেই প্রশ্নও তুলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই মতো কর্মী দেওয়ার কথা জানায় রাজ্য। এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী শ্যাম দিওয়ান  বলেন, “আমরা রাজ্যের তরফে ৮৫০৫ জন গ্রুপ বি অফিসারের নামের তালিকা দিয়েছি কমিশনকে৷ ৭ ফেব্রুুয়ারি ইমেল করা হয়েছে৷ প্রত্যেকের নাম দেওয়া হয়েছে৷ জেলা ভিত্তিক নামের তালিকা দেওয়া হয়েছে৷“

Sponsored

Camelia In Article

এর জবাবে কমিশনের আইনজীবী বলেন, “কোনও নাম দেওয়া হয়নি৷ আজ দুপুর সাড়ে ১২টায় জানানো হয়েছে, এতজন অফিসার দেওয়া হবে৷“ এর প্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন, “এখানেই সমস্যা হচ্ছে৷ শুধু নম্বর দেওয়া হয়েছে, নামের তালিকা দেওয়া হয়নি৷“ দিওয়ান বলেন, “আমরা বলেছিলাম, আমাদের জানান, আমরা পুরো তালিকা ধরে দিয়ে দেবো৷“

Sponsored

Techno India In Article

এর পরে প্রধান বিচারপতি বলেন , “মুখ্যসচিব কী হলফনামা দিয়ে বলবেন? দুপুরে ১২টা নাগাদ ইমেল পাঠানো হয়েছে? আমাদের সামনে ৪ ফেব্রুয়ারি বলা হয়, অফিসার দেওয়া হবে৷ তার পরের দিনই কেন দেওয়া হল না? আজও নামের তালিকা দেওয়া হয়নি কেন? এদের প্রত্যেককে জেলা কালেক্টরেটে গিয়ে দায়িত্ব নিতে হবে৷ আপনারা আমাদের সামনে যা বলেছেন, তা করেননি কেন?“ দিওয়ান বলেন, “আমরা খুব শীঘ্রই এটা করব৷“ এর পরেই মঙ্গলবার বিকেল ৫টার মধ্যে রাজ্যের দেওয়া আধিকারিকদের কাজে যোগ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

Sponsored

Probe In Article

শীর্ষ আদালত জানায়, “SIR শুনানি সংক্রান্ত অভিযোগ নিয়ে ERO-রাই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন। তাঁরা অবজেকশন গ্রহণ করতে বাধ্য থাকবেন। তাঁরা নথি যাচাই করবেন।“ রাজ্যের দেওয়া আধিকারিকরা ERO ও AERO-দের কাজে সহায়তা করবেন। ভোটার তালিকা ত্রুটিমুক্ত করতে বাংলা ভাষা জানা আধিকারিকদের কাজে লাগানো হচ্ছে।

সোমবার এসআইআর শুনানিতে তীব্র ভর্ৎসনার মুখে পড়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন৷ নামের বানান নিয়ে যেভাবে আমজনতাকে হেনস্থা করা হচ্ছে, বাবা-মায়ের সঙ্গে বয়সের ফারাক হলে নোটিস পাঠানো হচ্ছে, তা নিয়ে বিরক্ত প্রকাশ করলেন বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী। তিনি বলেন, আপনাদের সফটওয়্যার খুবই সীমাবদ্ধ। অধিকাংশ বাঙালি পরিবারে মধ্যম নাম থাকে কুমার, তা নিয়ে নোটিশ পাঠানো হয়েছে। এটা সম্পূর্ণ অনৈতিক পদক্ষেপ৷

শুনানিতে কমিশনের আইনজীবীরা অভিযোগ করেন, রাজ্যে কমিশনের প্রতিনিধিদের জন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হচ্ছে না। স্থানীয় পুলিশের সহযোগিতা পাচ্ছে না৷ কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করে SIR পরিচালনা করার নির্দেশ দেওয়া হোক। রাজ্যের শাসকদলের প্রতিনিধিরা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন, ফর্ম ৭ জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এর প্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতি বলেন, “আমরা আগেই বলেছি, রাজ্য সরকার এবং রাজ্য পুলিশের ডিজি, নিরাপত্তা এবং আইন-শৃঙ্খলার সব বিষয় দেখবেন“ পুরো বিষয়টি নিয়ে রাজ্যের ডিজিপি পীযূষ পাণ্ডেকে শোকজ করে সুপ্রিম কোর্ট।

-

Related Articles

More from শিরোনাম

View All →