উইন্ডোজের রজতজয়ন্তী বর্ষ উপলক্ষে ২০২৬-এ তাদের একাধিক রিলিজ ঘিরে বাংলার সিনেপ্রেমীদের মধ্যে আগ্রহ রয়েছে। গরমের ছুটি মানেই বাংলা সিনেমার পর্দায় নন্দিতা রায় এবং শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ব্লকবাস্টার উপহার। বিগত কয়েক বছরের তালিকা দেখলে খুব সহজেই বোঝা যায় যে মে মাসেই ‘বেলাশেষে’, ‘প্রাক্তন’, ‘পোস্ত’ থেকে ‘হামি’, ‘বেলাশুরু’, ‘কণ্ঠ’র মতো একগুচ্ছ সুপারির ছবি উপহার দিয়েছে উইন্ডোজ। এবার সোহিনী সেনগুপ্ত (Sohini Sengupta), রাইমা সেন (Raima Sen), অর্জুন চক্রবর্তী (Arjun Chakraborty), রজতাভ দত্ত, সাহেব চট্টোপাধ্যায় (Saheb Chatterjee), অনন্যা চট্টোপাধ্যায়, শ্যামৌপ্তি মুদলিদের মতো একঝাঁক তারকাদের নিয়ে আসতে চলেছে গোয়েন্দা গল্প। অন্যদিকে দেবের (Actor Dev) সঙ্গে পুজোয় সিনেমা মুক্তির দরকষাকষিতে না গিয়ে গরমের ছুটির সময়কালকে বেছে নিয়েছেন অভিনেতা প্রযোজক জিৎ (Jeet)। স্ক্রিনিং কমিটির সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা (Tollywood screening committee meeting), বৈঠকের পর পুজোর স্লট ছেড়ে চলতি বছরের মে মাসে বহু প্রতীক্ষিত ‘কেউ বলে বিপ্লবী, কেউ বলে ডাকাত’ ছবিটিকে দর্শকের সামনে নিয়ে আসছেন টলিউডের 'বস'। দীর্ঘদিন পর জিতের সিনেমা ঘিরে তার অনুরাগীদের মধ্যে যথেষ্ট উন্মাদনা রয়েছে।
শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ও জিৎ (Jeet) রিয়েল লাইফে খুব ভালো বন্ধু। একসঙ্গে কাজ করা না হলেও দুজনের মধ্যে যোগাযোগ বেশ ভালো। অন্যদিকে অভিনেতা দেবের (Dev) সঙ্গেও জিতের সম্পর্কে বিশেষ কোনও গসিপ নেই। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, 'খাদান' অভিনেতাকে জায়গা ছেড়ে দিয়ে হঠাৎ করে 'বহুরূপী' বন্ধুর সঙ্গে বক্স অফিসের লড়াইয়ে নামলেন কেন জিৎ?
এক সাক্ষাৎকারে এ প্রশ্নের উত্তরে প্রযোজক-অভিনেতা বলেন, “আমার ছবির জন্য অনেকেই অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন। তাই আমি ভাল শো কেসিং চাই। পুজোতে ওই ভিড়ের মধ্যে রিলিজ করলে আমার ছবি সেরকম শো পেত না। আর শো না পেলে দর্শকই বা দেখবেন কীভাবে? স্বাধীনতা দিবসেও সেটাই হত। এজন্যই আমরা ঠিক করেছি, গরমের ছুটিতেই আসবে ‘কেউ বলে বিপ্লবী কেউ বলে ডাকাত’।আমার ছবি নিয়ে যা আগ্রহ আছে, তাতে সময়টা ফ্যাক্টর নয়, ভালো শো পাওয়া সবচেয়ে জরুরী। আর সত্যি বলতে কী, অন্য ছবিগুলির ভয়ে আমি নিজের ছবি সরিয়ে নিচ্ছি, এটা কিন্তু নয়। কারণ ‘KBBKBD’ যতটা বড় মাপের ছবি, অন্য ছবিগুলো কিন্তু সেই মাপের নয়।” হল মালিকরা মনে করছেন এই মুহূর্তে ভালো বাংলা ছবির বড়পর্দায় আসা দরকার তাতে সবদিক দিয়েই উন্নতি হবে ইন্ডাস্ট্রির। সেখানে দাঁড়িয়ে দর্শক কোন ছবি বেশি দেখবেন কোনটা কম সেটা সম্পূর্ণভাবেই তাঁদের ব্যক্তিগত ব্যাপার। তবে বাংলা ছবি না থাকার কারণে হল বন্ধ করে দেওয়ার মতো যে ঘটনা সম্প্রতি ঘটেছে, আশা করা যায় আগামী বেশ কয়েকটি বিগ বাজেট সিনেমা মুক্তিতে সেই মন্দা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে।
- - - - - - - -















