বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের ধরে গেরুয়া শিবিরে যোগ দেন ভালো তৃণমূল সুখেন্দু শেখর রায় (Sukhendu Shekhar Ray), প্রকাশ চিক বরাইক এবং সুস্মিতা দেব (Susmita Dev)। আর তার কিছুক্ষণের মধ্যেই তাঁদের রাজ্যসভার (Rajya Sabha) প্রার্থী করে বিজেপি (ৎঝ)। বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় রাজ্যসভায় গিয়ে সোমবার বিজেপি সাংসদ হিসেবে শপথ নিলেন সুস্মিতা দেব, সুখেন্দু শেখর রায় ও প্রকাশ চিক বরাইক। ষোলোআনা বাঙালিয়ানায় ধুতি-পাঞ্জাবিতে সেজে শপথ নেন সুখেন্দুশেখর। বাংলায় শপথগ্রহণ করেন সুস্মিতা। শপথ নেন প্রকাশ চিক বরাইকও।
রাজ্যে পালাবদলের পরে তিনমাস পূর্ণ হওয়ার আগেই তৃণমূল ছাড়া বা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির ছাড়ার ধুম পড়ে গিয়েছে। বিধানসভায় বিক্ষুব্ধ হয়ে আলাদা গোষ্ঠী তৈরি করা বা লোকসভায় অপরিচিত রাজনৈতিক দলে যোগদান করে এনডিএ-কে সমর্থন করার পরে প্রাক্তন তিন রাজ্যসভা সাংসদ সুখেন্দু শেখর রায় (Sukhendu Shekhar Ray), প্রকাশ চিক বরাইক এবং সুস্মিতা দেবই (Susmita Dev) প্রথম তৃণমূল (TMC) ছেড়ে সরাসরি গেরুয়া শিবিরে নাম লেখান।
এরপরেই এই তিনজনকে সেই রাজ্যেই রাজ্যসভার প্রার্থী করে বিজেপি। ২৪ জুলাই পশ্চিমবঙ্গ থেকে রাজ্যসভার ৩ আসনে উপনির্বাচনের দিন ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু বিরোধিতা না থাকায় সোমবার শপথ নিলেন তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যাওয়া ৩ সাংসদ। এর ফলে পশ্চিমবাংলা থেকে রাজ্যসভায় যাওয়া বিজেপির সাংসদ সংখ্যা ৩ থেকে বেড়ে হল ৬।
বাদল অধিবেশনের প্রথম দিনে রাজ্যসভার চেয়ারম্যান সিপি রাধাকৃষ্ণন নবনির্বাচিত ৯ সাংসদকে শপথবাক্য পাঠ করান। পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও কর্ণাটক, গুজরাট, রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, মেঘালয় ও মিজোরাম থেকে আসা সাংসদরা শপথ বাক্য পথ করেন। বাংলার ৩ বিজেপি সাংসদের পাশাপাশি মুকেশভাই জে রাথওয়া (বিজেপি-গুজরাট), পবন খেরা (কংগ্রেস-কর্নাটক), মহেশ কেওয়াত (বিজেপি, মধ্যপ্রদেশ), জেমেশ পাংসাং কোংকাল সাংমা (এনপিপি-মেঘালয়), খিয়াংতে লালাগম (বিজেপি-মেঘালয়)। (বিজেপি-রাজস্থান) শপথ নেন।
















