বলিউড অভিনেতা আমির খানের (Aamir Khan) তৃতীয় বিয়েকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে বিতর্কের পারদ চড়েছে। গৌরী স্প্র্যাটের (Gauri Sprat) সঙ্গে বিশেষ বিবাহ আইনের অধীনে আইনি বিয়ের পর থেকেই তাঁর ব্যক্তিগত জীবন রাজনৈতিক আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। এরপরই অভিনেতার বিরুদ্ধে 'লাভ জেহাদ'-এর অভিযোগ তোলে বজরং দল। মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী নীতেশ রানে (Maharashtra Minister Nitesh Rane) এবং বিজেপি ও শিবসেনার (Shiv Sena) কয়েকজন নেতাও বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে সমালোচনা করেন। অন্যদিকে, শরিয়ত আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে মুসলিম পার্সোনাল দারুল ইফতার তরফেও আপত্তি জানানো হয়। যদিও বিতর্কের মাঝেই আমির খান স্পষ্ট করে জানান, তাঁর বর্তমান স্ত্রী গৌরী স্প্র্যাট খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী।
Sponsored

বিতর্কের মধ্যেই মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী নীতেশ রানে আমির খানকে 'লাভ জেহাদের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর' বলে কটাক্ষ করেন। সেই মন্তব্যকে সমর্থন জানান অযোধ্যার 'তপস্বী ছাওনি'-র পীঠাধীশ্বর জগৎগুরু পরমহংস আচার্য (Pithadhishwar Jagatguru Paramahansa Acharya)। তাঁর দাবি, বারবার হিন্দু নারীকে বিয়ে করার মাধ্যমে অভিনেতা 'লাভ জেহাদ'কে উৎসাহ দিচ্ছেন এবং এ ধরনের ঘটনার বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। এরপর এক সংবাদসংস্থাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি ঘোষণা করেন, যে ব্যক্তি আমির খানকে হত্যা করবে তাকে ৫ কোটি টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে। শুধু তাই নয়, ওই ব্যক্তির আইনি লড়াইয়ের সম্পূর্ণ খরচও তিনি বহন করবেন বলেও দাবি করেন। পাশাপাশি তিনি আরও বলেন, 'লাভ জেহাদ' এর সঙ্গে যুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। তাঁর এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসার পর নতুন করে বিতর্কের ঝড় ওঠে।
এদিকে বিহারের ফোরবেসগঞ্জে (Forbesganj, Bihar) আমিরের বিয়ের প্রতিবাদে রাস্তায় নামে বজরং দলের কর্মীরা। অভিনেতার কুশপুতুলে আগুন ধরিয়ে বিক্ষোভ দেখানো হয় এবং তাঁর বিরুদ্ধে স্লোগান তোলা হয়। ফলে একটি ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তকে ঘিরে সামাজিক, ধর্মীয় এবং রাজনৈতিক বিতর্ক ক্রমশ বিশাল আকার নিয়েছে।
আমির খান প্রথমে রীনা দত্ত (Reena Dutta) এবং পরে পরিচালক কিরণ রাওকে (Director Kiran Rao) বিয়ে করেছিলেন। দুটি সম্পর্কই বিচ্ছেদে শেষ হয়। এরপর গৌরী স্প্র্যাটের সঙ্গে তাঁর নতুন দাম্পত্য শুরু হলেও সেই সিদ্ধান্তই এখন জাতীয় স্তরে তীব্র বিতর্কের কেন্দ্রে উঠে এসেছে।
Sponsored

Sponsored

Sponsored

Sponsored













