কলকাতা হাই কোর্টের (Calcutta High Court) অনুমতি নিয়ে তৃণমূলের (TMC) ছাত্র-যুব মিছিলে গুণ্ডাবাহিনীর তাণ্ডব। অভিযোগ বিজেপির বিরুদ্ধে। পুলিশের বিরুদ্ধে নীরব দর্শকের ভূমিকা পালনের অভিযোগ তৃণমূল সভানেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee)। বুধবার বালিগঞ্জ ফাঁড়ি থেকে হাজরা পর্যন্ত তৃণমূলের ছাত্র-যুবদের মিছিলে বহু কর্মী-সমর্থকরা আক্রান্ত। মিছিল শেষে আক্রান্তদের দেখতে বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েন দলনেত্রী। সেখান থেকে বিজেপি এবং পুলিশকে তীব্র আক্রমণ করেন তিনি। বিজেপির (BJP) বিরুদ্ধে ভাড়াটে গুণ্ডা নিয়ে এসে মিছিলে তাণ্ডব করার অভিযোগ করলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। আক্রান্ত ২৫ তৃণমূলের কর্মীকে হাসপাতালে পাঠানোরর বন্দোবস্ত করেন তিনি।
তৃণমূল সুপ্রিমো বলেন, "হাইকোর্টের অনুমতি নিয়ে আজ এই মিছিল ছিল। আজ সকালে বিজেপি কর্মীরা হুমকি দিয়েছে। কোর্ট অনুমতি দিয়েছিল হ্যান্ড মাইকের। হ্যান্ড মাইক কেড়ে নেওয়া হয়েছে। সকাল ৬টা থেকে ডিজে বাজিয়েছে। সকাল থেকে তাণ্ডব করেছে। ভাড়াটিয়া লুম্পেন, গুণ্ডাদের নিয়ে এসেছে।"
মমতার অভিযোগ, "মেয়েদের গায়ে যেভাবে হাত দিয়েছে আমি তাদের উদ্ধার করার জন্য গেটের বাইরে গিয়েছিলাম। আমি দেখেছি প্রত্যেকের মাথায় রক্ত। মেয়েদের মুখ, বুক থেকে প্রাইভেট পার্টস থেকে শুরু করে ছেলেদেরও মারা হয়েছে। এই পরিবর্তন কি বাংলার মানুষ চেয়েছিল? আমরা বলি শান্তি, স্বস্তি আসুক, অত্যাচার, ধর্ষণ কমুক। আমাদের কোর্টে গিয়ে অনুমতি নিতে হচ্ছে। আপনারা দেখেছেন কীভাবে তাণ্ডব করে মিছিলে বাধা দেওয়া হচ্ছিল। তাও আমরা মিছিল করেছে ওরা।"
দলনেত্রীর কথায়, "যারা রামের টাকা প্রণামী বাক্সের টাকা চুরি করে খায়, লজ্জা করে না। আমি পুলিশকে (Police) দোষারোপ করছি। আমরা বিজেপিকে ধিক্কার জানাই। তারা মানুষকে প্রোটেকশন দিতে পারে না। কাল বারুইপুরে প্রতিবাদীদের ৫০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। দুর্গাপুরে ধর্ষণ হয়েছে। বর্ধমানে, ভগবানপুরে, পটাশপুরে, কোচবিহারে, বেহালা, মালদায় ধর্ষণ হয়েছে। সারা বাংলাজুড়ে হয়েছে। ৬০ দিনের মধ্যে ১৪ জনকে ধর্ষণ করা হয়েছে। অনেককে হত্যা করা হয়েছে।"
নিজে দাঁড়িয়ে থেকে আক্রান্ত দলীয় কর্মীদের হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন তৃণমূল সুপ্রিমো। সঙ্গে ছিলেন তৃণমূল সাংসদ দোলা সেন (Dola Sen), বৈশ্বান্বর চট্টোপাধ্যায়, যুবনেত্রী উপাসনা চৌধুরী-সহ অন্যান্যরা।
















