বারুইপুরে নাবালিকা খুনে ধৃতের সংখ্যা বেড়ে তিন। সোমবার, ঘটনার প্রধান অভিযুক্ত আনন্দ সর্দারকে (Ananda Sardar) বারুইপুর এলাকা থেকেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ (Police)। বাকি দুই ধৃত প্রভাস মণ্ডল ও দিবাকর সর্দার। এ ছাড়া ৬জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। 

রবিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরের (Baruipur) ধপধপি-২ গ্রাম পঞ্চায়েতে পুকুর থেকে এক নাবালিকার বস্তাবন্দি দেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। ষষ্ঠশ্রেণির ওই ছাত্রীর ধর্ষণের পর শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ। পুলিশ সূত্রে খবর, শনিবার বিকেল প্রায় ৪টার পর থেকে নাবালিকা নিখোঁজ ছিল। পরিবারের দাবি, বন্ধুর জন্মদিনের উপহার কিনতে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল সে। এরপর আর বাড়ি ফেরেনি। 

প্রাথমিক তদন্তে বারুইপুর থানার পুলিশের অনুমান, নাবালিকাকে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছে। তবে মৃত্যুর সঠিক কারণ ও ধর্ষণের অভিযোগের সত্যতা ময়নাতদন্ত ও ফরেনসিক পরীক্ষার রিপোর্ট হাতে এলেই স্পষ্ট হবে। বারুইপুরের ঘটনায় দোষীদের কঠোর শাস্তি হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

সিট (SIT)গঠন করে আইজির নেতৃত্বে বারুইপুরের ঘটনায় তদন্ত হচ্ছে। তারা অভিযুক্তদের খোঁজে রবিবার রাতভর তল্লাশি চালায়। রবিবারই এক জনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। সোমবার সকালে ধরা পড়েন আরও এক অভিযুক্ত। তার পর বেলার দিকে মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়। ধৃত আনন্দকেই বারুইপুরে নাবালিকা খুনের ঘটনার প্রধান অভিযুক্ত বলে সূত্রের খবর। রাজ্য পুলিশের এসটিএফ, বারুইপুর পুলিশ জেলার স্পেশাল অপারেশন গ্রুপের (এসওজি) যৌথ অভিযানে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মঙ্গলবার তাঁকে আদালতে হাজির করানো হতে পারে।

সোমবার সকাল থেকে ক্ষোভে ফুঁসছে এলাকা। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় প্রচুর পুলিশবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। বারুইপুর, নরেন্দ্রপুর এবং সোনারপুরে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১৬৩ ধারা জারি করা হয়েছে।