Site Logo

বিজেপির পুরস্কার: শমীক এবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী? রাজ্য সভানেত্রী হতে পারেন লকেট!

EBBS DESK·
বিজেপির পুরস্কার: শমীক এবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী? রাজ্য সভানেত্রী হতে পারেন লকেট!

রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদল। তৃণমূলের থেকে শাসনভার বিজেপির হাতে। আর মুখ্যমন্ত্রী ও পাঁচজন মন্ত্রী এবং বিধায়কদের শপথগ্রহণ হওয়ার পরেই বিধানসভা নির্বাচনে জয়ের জন্য বঙ্গবিজেপি (BJP) নেতৃত্বকে পুরস্কার দিচ্ছে জাতীয় পদ্ম শিবির। জয়ের অন্যতম কাণ্ডারী হিসেবে রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যকে (Shamik Bhattacharya) কেন্দ্রীয় মন্ত্রী করা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর। আর তাঁর জায়গায় রাজ্য বিজেপির সভানেত্রী হতে পারেন লড়াকু লকেট চট্টোপাধ্যায় (Locket Chatterjee)।

Sponsored

Sranchi In Article

২০১৫ সালে দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) বিজেপির (BJP) রাজ্য সভাপতি হওয়ার পরে দলকে সংগঠিত করার কাজ করেছিলেন। তার ফসল ২০১৯-এ পেয়েছিল গেরুয়া শিবির। তবে ২০২১-এ বাংলায় বিজেপির ভরাডুবি হওয়ার পরে দিলীপের থেকে ব্যাটন সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumder) হাতে যায়। কিন্তু তার পরে পদ্মের পাপড়ি আরও ঝরতে শুরু করে। ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে বাংলায় যথেষ্ট ধরাশায়ী হয় গেরুয়া শিবির। ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করে সভাপতি বদলান কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। সুকান্ত মজুমদারকে সরিয়ে রাজ্যে বিজেপি সভাপতি করা হয় দীর্ঘদিনের বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্যকে। পদে আসার পরেই আদি-নব্যের দ্বন্দ্ব সরিয়ে দলকে একজোট করার কাজ শুরু করেন তিনি। সুকান্তর আমলে যে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের অভিযোগ বারবার উঠেছিল, তা মেটাতে পুরনোদের কাছে টানার কাজ করেন শমীক ভট্টাচার্য। যে প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ দলীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যেই নাম না করে ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন, চেয়ারে বসার পরে সেই প্রাক্তনকে ডেকে কথা বলেন বর্তমান রাজ্য সভাপতি। সায়ন্তন বসু, রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়, রীতেশ তিওয়ারির মতো আদি বিজেপি নেতাদের ফের পাদপ্রদীপের আলোয় আনেন শমীক।

রাজনৈতিক মহলের মতে, এই আদি বিজেপি নেতাকর্মীদের দলের সক্রিয় করার ফসলই পেয়েছে গেরুয়া শিবির। আর তার জন্য কৃতিত্ব প্রাপ্য শমীকের। শুধু একজোট করে সংগঠন গড়ে তোলার চেষ্টা করাই নয়, বিতর্কিত মন্তব্য থেকেও বরাবর দূরে থেকেছেন সুবক্তা শমীক ভট্টাচার্য। অন্য বিজেপি নেতৃত্বের মতো আলটপকা বিতর্কিত মন্তব্য বা ধমকানি-চমকানি রাস্তায় না গিয়ে যুক্তি দিয়ে দলের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন বর্তমান রাজ্য সভাপতি।

অন্যদিকে বরাবরই লড়াকু নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়। সাংসদ থাকার সময় লোকসভায় তাঁর বক্তব্য নজর কাড়তো বিরোধীদেরও। শেষবার লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থী রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে হেরে গেলেও সংগঠনের কাজে বিন্দুমাত্র অবহেলা করেনি লকেট। ছুটে বেড়িয়েছেন রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে। মাঝখানে তাঁকে উত্তরাখণ্ডের কো-অবজার্ভার করে পাঠানো হয়েছিল। সেখানেও সাফল্যের সঙ্গে কাজ করেছেন। তিনি রাজ্য বিজেপির মহিলা মোর্চার সভানেত্রী ছিলেন।

শমীকের কাজের পুরস্কার হিসেবে তাঁকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী করতে চাইছেন বিজেপির জাতীয় শীর্ষ নেতৃত্ব। শমীক রাজ্যসভার সাংসদ। সেক্ষেত্রে নিয়ম মেনেই তিনি মন্ত্রী হতে পারেন। আর তাঁর ছেড়ে যাওয়া আসনে লকেট চট্টোপাধ্যায়কে বসাতে পারে গেরুয়া শিবির। প্রথমত লকেট দীর্ঘদিনের বিজেপি নেত্রী এবং তিনি মহিলা। অবিজেপি দলগুলি বিজেপিকে 'নারী বিদ্বেষী' তকমা দেওয়ার চেষ্টা করে। এক্ষেত্রে লকেটকে রাজ্য সভানেত্রীর আসন দিয়ে তাদের দিকে ওঠা অভিযোগ খণ্ডন করতে চাইছে পদ্মশিবির- এমনটাই খবর বিজেপির অন্দরে।

-

-

-

-

-

-

 

Sponsored

Merlin In Article

Sponsored

Shyam Sundar In Article

Sponsored

Camelia In Article

Sponsored

Techno India In Article

Sponsored

Probe In Article

Related Articles

More from শিরোনাম

View All →