Site Logo

৪ মে-র আগে প্রশ্ন তুললেন না কেন? A/C Freeze মামলায় বিক্ষুব্ধদের তীব্র তিরস্কার আদালতের, নিশানা পুলিশকেও

EBBS DESK··1 min read
৪ মে-র আগে প্রশ্ন তুললেন না কেন?  A/C Freeze মামলায় বিক্ষুব্ধদের তীব্র তিরস্কার আদালতের, নিশানা পুলিশকেও

আপনারা তৃণমূল থেকে লড়ে জিতেছেন। ফ্যাক্ট চেঞ্জ হল আর নিজেরাই অভিযোগ করলেন!  ৪ মে-র আগে কেন প্রশ্ন তুললেন না? ১৮ জুনের আগে কেন প্রশ্ন তুললেন না? A/C Freeze মামলায় বিক্ষুব্ধদের তীব্র তিরস্কার কলকাতা হাই কোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের (Sougata Bhattacharya)। একই সঙ্গে তিনি নিশানা করেন প্রশাসনকেও। বলেন, “এত দ্রুততা কেন? সাধারণ একটা মানুষ এলে পুলিশ (Police) তো এত সক্রিয় হয় না? কী এমন প্রমাণ আপনাদের সন্তুষ্ট করল যে আপনারা ফ্রিজ করে দিলেন? ফলাফল উল্টো হলে কী হত? ফল প্রকাশের পর অভিযোগ করা হচ্ছে।“ বৃহস্পতিবার, মামলার শুনানিতে বিক্ষুব্ধ তৃণমূলের পক্ষ থেকে আইনজীবী ছিলেন বিশ্বনাথ দাস (Biswajit Das) ও কে পরমেশ্বর। আদালত বিশ্বনাথ দাসকেই যাবতীয় তিরস্কার করেছে। মমতাপন্থী তৃণমূলের আইনজীবী ছিলেন অভিষেক মনু সিংভি (Abhishek Manu Singhvi)। ছিলেন সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা (Tusar Meheta)।

Sponsored

Sranchi In Article

আদালতে সওয়াল-জবাব কিছুটা এরকম-
অভিষেক মনু সিংভি-
অভিযোগ করলেই কি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট  ফ্রিজ করা যায়? এর জন্য ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ দরকার। যে সব বিধায়করা অভিযোগ করলেন তাঁরা ২৫ লক্ষ টাকা নেওয়ার পরে সন্দেহ প্রকাশ করলেন? কীভাবে এই জয়ী বিধায়করা অভিযোগ করতে পারেন?
বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য- কিন্তু অভিযোগ তো যেকেউ করতে পারে।
অভিষেক মনু সিংভি- তাহলে তদন্ত হোক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ কেন? বিক্ষুব্ধ বিধায়কা চেয়ার, ড্রিনক্স ইত্যাদি খাতে বিশাল টাকা খরচ করেছেন। তারপর অভিযোগ! গিনেস বুক অব রেকর্ডে নাম উঠবে- যেভাবে এই প্রথম কোনও বিরোধী দলনেতারা শাসকদলকে সমর্থন করছেন।
বিশ্বনাথ দাস- আমরাই আসল তৃণমূল। আমরা এই অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করি। তাই অন্য কেউ কিছু চাইলেই অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করতে দেওয়া যাবে না। অ্যাকাউন্ট মিস ম্যানেজ হচ্ছে।
বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য- আপনারা তৃণমূল থেকে লড়ে জিতেছেন। ফ্যাক্ট চেঞ্জ হল আর নিজেরাই অভিযোগ করলেন! ৪ মে-র আগে কেন এই প্রশ্ন তুললেন না? ১৮ জুনের আগে কেন প্রশ্ন তুললেন না?
কে পরমেশ্বর- ৪ মে-র পর যাবতীয় অভিযোগ হয়েছে। পুলিশ ঠিক করবে না কে তৃণমূল।  তাই যে আমাদের এই অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করতে দিন। 
তুষার মেহতা- অথরাইজড অফিসার ফ্রিজ করেছেন। তদন্তকারীদের পক্ষ থেকে জানা সম্ভব নয় কে আসল তৃণমূল। কোনও অন্তর্বতী নির্দেশ নির্বাচন কমিশন ছাড়া কেউ রেকমেন্ড করতে পারে না। 
মেহতাকে বিচারপতির প্রশ্ন- অ্যাকাউন্ট কেন ফ্রিজ করা হল? 
তুষার মেহতা- ৭জন বিধায়কে থেকে অভিযোগ পেয়েছি। তিনটি স্টেট  মেন্ট নেওয়া হয়েছে।
বিচারপতির কড়া পর্যবেক্ষণ- সাতের বদলে সত্তরটি পেতে পারেন। কিন্তু উল্লেখযোগ্য কী এমন প্রমাণ পেলেন যে কারণে অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করলেন? 
বিচারপতির প্রশ্ন- এত দ্রুততা কেন? সাধারণ একটা মানুষ এলে পুলিশ তো এত সক্রিয় হয় না? কী এমন প্রমাণ আপনাদের সন্তুষ্ট করল যে আপনারা ফ্রিজ করে দিলেন? ফলাফল উল্টো হলে কী হত? ফল প্রকাশের পর অভিযোগ করা হচ্ছে। আমার বদভ্যাস আমি আমার মনের কথা বলে ফেলি (মন্তব্য বিচারপতির)
বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের মন্তব্য- অ্যাকাউন্টের লেনদেনের সন্দেহ ও অ্যাকাউন্ট ব্যবহারের অধিকারের  মধ্যে একটা সামঞ্জস্য করতে হবে। তাই কোর্ট একজন অফিসার নিয়োগ করতে চাইছে যাতে টাকা সাইফন না হয়ে যায়।  

Sponsored

Merlin In Article

অ্যাডভোকেট জেনারেল সুরজিত মিত্র বলেন, ২১৫ জন কর্মীর মাইনে ৫১ লক্ষ টাকা। এর তথ্য কোথায়? একটা টাকা ধার্য করা হোক যেটা প্রতি মাসে দেওয়া হবে। কার অ্যাকাউন্টের চাইতে বড় অভিযোগ টাকাটা বেআইনি। লেনদেন সন্দেহজনক। সেই আবেদন খারিজ করে বিচারপতি বলেন, এটা তৃণমূলের অ্যাকাউন্ট। কত টাকা দেবে তারা ঠিক করবে। পাশাপাশি বিচারপতি সাফ জানান, এখনও পর্যন্ত কোনও প্রমাণ তদন্তকারীরা দেখাতে পারেননি যাতে অ্যাকাউন্ট ফ্রিজের মতো পদক্ষেপের বিষয়ে সন্তুষ্ট হওয়া যায়।

Sponsored

Shyam Sundar In Article

Sponsored

Camelia In Article

Sponsored

Techno India In Article

Sponsored

Probe In Article

Related Articles

More from শিরোনাম

View All →