Site Logo

বেঁচে থেকেও মারা গিয়েছেন ৯৭ জন! অভিষেকের তুলে ধরা ‘ভূতেদের’ তথ্য ফাঁস

EBBS Desk·
বেঁচে থেকেও মারা গিয়েছেন ৯৭ জন! অভিষেকের তুলে ধরা ‘ভূতেদের’ তথ্য ফাঁস

রাজ্যের উত্তর থেকে দক্ষিণ, যেখানেই তৃণমূল সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সভা করেছেন, সেখানেই উঠে এসেছেন ‘ভূতেরা’ (dead voter)। অর্থাৎ জীবিত হয়েও যাঁরা নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) ভুল এসআইআর-এর (SIR) কারণে মৃত হয়ে গিয়েছেন। স্বাভাবিকভাবেই বাদ গিয়েছেন ভোটার তালিকা থেকে। তাঁদের আবার নতুন করে ভোটার তালিকায় (voter list) নাম তোলার হয়রানির মুখে পড়তে হচ্ছে। তবে গোটা রাজ্যে এই মৃত ভোটারের সংখ্যাটা দাঁড়াচ্ছে, এখনও পর্যন্ত, ৯৭।

Sponsored

Sranchi In Article

রাজ্যে এসআইআর প্রক্রিয়া দ্রুত ও অপরিকল্পিতভাবে করার অভিযোগ বারবার করেছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সিইসি জ্ঞানেশ কুমারকে (Gyanesh Kumar, CEC) তিনি পাঁচটি চিঠি দিয়েছেন এই প্রসঙ্গে, যে পদক্ষেপ অন্য কোনও রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান নিতে পারেননি। আর সেই অপরিকল্পিত এসআইআর-এর শিকার হয়েছেন বাংলার মানুষ। এই ৯৭ ‘মৃত’ ভোটার রাজ্যে উত্তর থেকে দক্ষিণ, পূর্ব থেকে পশ্চিম – প্রায় সব জেলাতেই রয়েছেন।

Sponsored

Merlin In Article

আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, হুগলি, কলকাতা, হাওড়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, বীরভূম এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা— কার্যত গোটা রাজ্যজুড়েই এই ‘মৃত’ ভোটাররা ছড়িয়ে রয়েছে। কমিশনে প্রকাশিত তালিকায় উল্লেখ রয়েছে তাঁদের বুথ নম্বর, গ্রাম-পঞ্চায়েত বা ওয়ার্ড, এমনকি রাজনৈতিক পরিচয়ের তথ্যও। বহু ক্ষেত্রেই শাসক ও বিরোধী— দুই দলের সমর্থক ভোটারই রয়েছেন তালিকায়। অর্থাৎ সমস্যা কোনও একটি রাজনৈতিক শিবিরে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এসআইআর ডেটা যাচাই প্রক্রিয়ার গলদের দিকেই স্পষ্ট ইঙ্গিত করছে।

Sponsored

Shyam Sundar In Article

উদাহরণ হিসাবে—
* কোচবিহারের একাধিক গ্রাম পঞ্চায়েতে একই পরিবারের একাধিক জীবিত সদস্যকে ‘মৃত’ দেখানো হয়েছে।
* উত্তর কলকাতা ও দক্ষিণ কলকাতার পুর এলাকার ভোটারদের নামও এই তালিকায় রয়েছে।
* হাওড়া, মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় বহু যুবক-যুবতীর নাম ‘ডিলিটেড অ্যাজ ডেড’ (deleted as dead) হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে ।

Sponsored

Camelia In Article

কমিশন একদিকে এসআইআরকে ‘ভোটার তালিকা পরিশুদ্ধ করার অভিযান’ বলে দাবি করলেও, কমিশনের নিজের নথিতেই যদি জীবিত নাগরিকদের মৃত বানানোর তালিকা উঠে আসে, তবে পুরো প্রক্রিয়ার বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েই প্রশ্ন উঠছে বলে মত পর্যবেক্ষকদের। এক্ষেত্রে ভুল হওয়ার তিনটি সম্ভাবনা তুলে ধরা হয়েছে কমিশনের তরফে। এসআইআর প্রক্রিয়ায় ডিজিটাল (digital) ডেটা যাচাই (data verification), মাইক্রো অবজারভার ক্রস-চেকিং এবং মাঠপর্যায়ের সমন্বয়ের অভাবই এই ধরনের ‘ভুল মৃত্যু’র জন্ম দিচ্ছে।

Sponsored

Techno India In Article

Sponsored

Probe In Article

আদতে নতুন নতুন অ্যাপ, গোটা প্রক্রিয়ার ডিজিটালাইজেশন করেও গোটা প্রক্রিয়ায় নির্বাচন কমিশনকে নির্ভর করতে হচ্ছে মূলত রাজ্যের শিক্ষক সম্প্রদায় ও কেন্দ্রীয় সরকারি এক শ্রেণির কর্মীদের উপর। কমিশনের বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যে সেই কাজ শেষ করতে হিমসিম কর্মীরা মৃত্যুর পথ বেছে নিচ্ছেন, যা বাংলায় এক আতঙ্ক তৈরি করেছে। তার পরেও এই ‘ভুল মৃত্যু’ সরকারি কর্মীদের উপর চাপিয়েই দায় ঝাড়ার চেষ্টা কমিশনের।

-

-

-

Related Articles

More from শিরোনাম

View All →