Site Logo

যুদ্ধ পরিস্থিতি নয়, ২০১৪ থেকে কেন তেলের দাম বাড়ল: প্রশ্ন তৃণমূলের

EBBS Desk·
যুদ্ধ পরিস্থিতি নয়, ২০১৪ থেকে কেন তেলের দাম বাড়ল: প্রশ্ন তৃণমূলের

১০ দিনে তৃতীয়বার বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম। মধ্যবিত্ত ইতিমধ্যেই দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির (price rise) সমস্যায় জেরবার। এই পরিস্থিতিতে যুদ্ধের অজুহাত দেখিয়ে বারবার যেভাবে সাধারণ মানুষকেই বিপদে ফেলছে কেন্দ্রের সরকার, তার সমালোচনায় তৃণমূল কংগ্রেস। একদিকে বাংলার ক্ষমতায় আসার পরে একের পর এক স্বেচ্ছাচারী পদক্ষেপ বিজেপির সরকারের। অন্যদিকে কেন্দ্রের সরকারের জ্বালানি (fuel) চাপ নিয়ে সরব বিধায়ক কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh)।

Sponsored

Sranchi In Article

আদতে যে বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূলের বলা কথাই মিলে গিয়েছে, স্পষ্ট করে দেন বিধায়ক কুণাল ঘোষ। তাঁর দাবি, জ্বালানির দাম (fuel price) বাড়ার চূড়ান্ত কুফল হল, পরিবহনের চাপ, মূল্যবৃদ্ধি (price rise), বাজারে আগুন এবং সাধারণ মানুষের উপর প্রবল চাপ বৃদ্ধি। কেউ কিছু বললেই বোঝাতে আসছে যুদ্ধ চলছে। ২০১৪ সাল থেকে তো যুদ্ধ চলছিল না। ২০১৪ থেকে বিজেপি সরকার আসার পর মূল্যবৃদ্ধি হয়ে চলেছে। যুদ্ধ চললেও বিকল্প ব্যবস্থা কেন হবে না? ভোটের আগে কেন্দ্রের নেতারা এতবার ডেইলি প্যাসেঞ্জারি করলেন, এত ভালোভালো কথা বললেন একবারও তো বলেননি যে ভোটের পরেই এই দাম বাড়াতে হবে। তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার বলেছেন, ভোট মিটলেই কীভাবে জিনিসপত্রের দাম বাড়ায় দেখুন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথাই মিলে যাচ্ছে।"

কুণাল আরও জানান, "হকার উচ্ছেদ এবং বুলডোজার (bulldozer) চালানো আমরা তীব্র বিরোধিতা করছি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) হকার বন্ধুদের যখন সরিয়েছিলেন বিকল্প ব্যবস্থা করে দিয়ে সরিয়েছিলেন। "

তৃণমূল কংগ্রেসের কাউন্সিলরদের গ্রেফতারির প্রসঙ্গে কুণাল বলে, "কোন মামলায় কে গ্রেফাতার হচ্ছেন সেটা বলা মুশকিল। গোটা রাজ্যে যেভাবে তৃণমূল কর্মীদের গ্রেফতার করা হচ্ছে , বহু ক্ষেত্রে মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে তৃণমূল কংগ্রেসের উপর প্রতিহিংসাপরায়ন বাতাবরণ তৈরি হয়েছে। পুলিশ নিরপেক্ষ ভূমিকা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই পালন করছে না।"

মেট্রোপলিটনের তৃণমূল ভবনে নোটিসের বিষয়ে কুণাল বলেন,"ওটা অস্থায়ী তৃণমূল ভবন। বাড়ির মালিক দুমাসের মধ্যে ছাড়তে বলেছেন। তপসিয়ায় তৃণমূল ভবনের নির্মাণ কাজ চলছে সেই কারণে মেট্রোপলিটনে এই বাড়িটি ভাড়া নেওয়া হয়েছিল। দলের নেতৃত্বের সঙ্গে বাড়ির মালিকের কী কথা হচ্ছে সেটা সম্পূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বিষয়। বাড়ির মালিকের সঙ্গে দলের নেতৃত্বের পুরদস্তুর যোগাযোগ আছে।"

আরও পড়ুন : দেশজুড়ে ফের বাড়ল পেট্রোল-ডিজেলের দাম 

রাজ্যে বিজেপি সরকার আসায় কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলির টাকা দিচ্ছে পশ্চিমবঙ্গকে। এ নিয়ে তৃণমূল মুখপাত্র বলেন,"এখন যদি রাতারাতি কেন্দ্র জলজীবন মিশন-সহ বাকি কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলির টাকা ছাড়তে থাকে তাহলে এটা প্রমাণিত হয় যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় থাকাকালীন ইচ্ছাকৃতভাবে টাকা আটকে রাখত কেন্দ্র। বিজেপি সরকার এখনও অন্য রাজ্যে যা বলেছিল সেগুলি করে দেখাতে পারেনি। ফলে এ রাজ্যে বিজেপি যা যা বলেছিল সেগুলি করে দেখাতে পারবে কিনা তা তো সময় বলবে।"

-

-

-

Sponsored

Merlin In Article

Sponsored

Shyam Sundar In Article

Sponsored

Camelia In Article

Sponsored

Techno India In Article

Sponsored

Probe In Article

Related Articles

More from শিরোনাম

View All →