Site Logo

আমেরিকার থেকে ৩গুণ জিনিস কিনতে বাধ্য ভারত: ভারত-মার্কিন চুক্তির সমালোচনায় বিরোধীরা

EBBS Desk·
আমেরিকার থেকে ৩গুণ জিনিস কিনতে বাধ্য ভারত: ভারত-মার্কিন চুক্তির সমালোচনায় বিরোধীরা
ভারতের স্বার্থ জলাঞ্জলি দিয়ে যে নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Donald Trump) সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি সারলেন, তা ঢাকার আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার। দেখানোর চেষ্টা চলছে, ভারতের কৃষক স্বার্থ বিকিয়ে দিয়ে চুক্তি (India-USA trade deal) স্বাক্ষর করেনি মোদি সরকার। আদতে মোদি সরকার যে গোটা ভারতের স্বার্থই সেখানে বিসর্জন দিয়ে দিলেন, তা নিয়ে কটাক্ষের পালা শুরু বিরোধীদের। যে কৃষক স্বার্থ জলাঞ্জলি দেওয়ার প্রতিবাদ গত কয়েকদিন ধরে করে এসেছে বিরোধী দলগুলি, সেই স্বার্থের কথা তুলে ধরে সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব (Akhilesh Yadav) প্রশ্ন তোলেন, আমেরিকা ভারতের কৃষিজ পণ্যের উপর যখন ১৮ শতাংশ শুল্ক (tariff) বসাতে পারে, তখন ভারতের সেই অধিকার নেই। ১৮ ও শূন্য সমান কীভাবে হতে পারে। সেই সঙ্গে তিনি তুলে ধরেন সেই সব বাদাম শষ্যের (nuts) কথা যা ভারত অস্ট্রেলিয়া বা চিলির মতো দেশ থেকে আগে আমদানি (imports) করত। সেক্ষেত্রে ভারত নিজের নীতি অনুযায়ী তাতে শুল্ক বসাতে পারত। অথচ আমেরিকার চাপে এবার থেকে আমন্ড, পেস্তাসহ সব বাদাম শস্য আমেরিকা থেকেই কিনতে বাধ্য এবং বিনা শুল্কে। কংগ্রেসের তরফে প্রতিবাদ জানানো হয় নিঃশর্তে রাশিয়ার তেল কেনার সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার। কংগ্রেস মুখপাত্র তথা সাধারণ সম্পাদক জয়রাম রমেশ (Jairam Ramesh) দাবি করেন, রাশিয়ার থেকে তেল ভারত কিনবে না এমন শর্তেই আমেরিকার ৫০ শতাংশ শুল্কে ছাড় পেয়েছে ভারত। এরপর রাশিয়া থেকে তেল কিনলেই ফের ২৫ শতাংশ শুল্ক চাপাবে আমেরিকা। সেক্ষেত্রে রাশিয়া থেকে সস্তার তেল কেনার যে পথ ভারত বেছেছিল, তা থেকে সরে আসতেই হবে। আর আমেরিকার ইচ্ছামতো দামে মার্কিন বা ভেনেজুয়েলার তেল কিনতে বাধ্য থাকবে ভারত। তবে সামগ্রিক ভাবে দেশের যে স্বার্থ নরেন্দ্র মোদি এই চুক্তিতে জলাঞ্জলি দিয়েছেন, তার উল্লেখ করেন তৃণমূল সাংসদ সাকেত গোখলে (Saket Gokhale)। হিসাব পেশ করে তিনি দাবি করেন, গত তিন বছরে ভারত আমেরিকা (USA) থেকে জিনিস কিনেছে (imports) ৪০-৪২ বিলিয়ন ডলারের। এবার নতুন চুক্তিতে ৫ বছরে ৫০০ বিলিয়ন ডলারের মার্কিন সামগ্রী কিনতে বাধ্য থাকবে ভারত। অর্থাৎ আমেরিকা থেকে আমদানি ১১ গুণ বাড়াতে হবে ভারতকে। আর ভারতের মানুষকে সেই জিনিস মার্কিন দামে কিনতে হবে। আরও পড়ুন : প্রকাশ্যে ভারত-মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি: রাশিয়ার তেলের শর্তেই শুল্কে ছাড় ভারত এমন একটি সময়ে আমেরিকার সঙ্গে এই বাণিজ্য চুক্তি করেছে যখন টাকার দাম মার্কিন ডলারের নিরিখে তলানিতে। সেই কথা স্মরণ করিয়ে সাকেতের দাবি, ইতিমধ্যেই বছরে ভারতের গোটা বিশ্ব থেকে আমদানি ৭২০ বিলিয়ন ডলার পরিমাণ। তার সঙ্গে মার্কিন দাবি মানতে গেলে সেই আমদানি আরও বাড়াতে হবে। যা ভারতের অর্থনীতির জন্য অবশ্যই একটি বড় চাপ তৈরি করবে নিঃসন্দেহে। -

Sponsored

Sranchi In Article

Sponsored

Merlin In Article

Sponsored

Shyam Sundar In Article

Sponsored

Camelia In Article

Sponsored

Techno India In Article

Sponsored

Probe In Article

Related Articles

More from শিরোনাম

View All →