Site Logo

জিতু-সায়নী বাকযুদ্ধে এবার প্রাক্তন স্ত্রীকে নিয়ে মধ্যরাতে লাইভ অভিনেতার!

EBBS Desk·
জিতু-সায়নী বাকযুদ্ধে এবার প্রাক্তন স্ত্রীকে নিয়ে মধ্যরাতে লাইভ অভিনেতার!

সোশ্যাল মিডিয়ায় একে অন্যকে ব্যক্তিগত আক্রমণ চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে অনস্ক্রিন 'অপরাজিত' দম্পতির। জিতু কামাল (Jeetu Kamal) ও সায়নী ঘোষের (Sayani Ghosh) সংঘাত যখন তুঙ্গে তখন নিজের পোষ্টের স্বপক্ষে যুক্তি তুলে ধরতে এবং তৃণমূল সাংসদকে কড়া উত্তর দেওয়ার জন্য মধ্যরাতে হঠাৎ ফ্রেমে জিতু - নবনীতা! ডিভোর্স হয়ে যাওয়ার পর এই প্রথমবার একসঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়ায় ধরা দিলেন প্রাক্তন তারকা দম্পতি। ইতিমধ্যেই শ্যুটিং পাড়া থেকে শুরু করে সমাজমাধ্যমের পাতায় জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।

Sponsored

Sranchi In Article

ঠিক কী ঘটেছিল? আসলে সমস্যার সূত্রপাত গত ১৪ মে সম্প্রচারিত হওয়া জিতুর একটি সাক্ষাৎকার ঘিরে। সেখানে তিনি সায়নীকে নিয়ে কিছু বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন। সাংসদ- অভিনেত্রী জবাব দিতে বিন্দুমাত্র দেরি করেননি। টেনে এনেছিলেন অভিনেতার প্রাক্তন স্ত্রীর প্রসঙ্গও। সোশ্যাল মিডিয়ায় দুজনেই একের পর এক দীর্ঘ পোস্ট করে চলেছেন তারপর থেকে। সায়নী লিখেছিলেন, জিতুর 'কুকীর্তি' নিয়ে নাকি নবনীতা নাকি তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করতে চেয়েছিলেন। এই অভিযোগের কড়া জবাব দিতেই মধ্যরাতে কুলফি হাতে প্রাক্তন স্ত্রী নবনীতা দাসকে (Nabanita Das) নিয়ে মাঝরাস্তায় লাইভ করলেন 'অপরাজিত' অভিনেতা। কিছুটা খুনসুটি আর কথাবার্তার মাধ্যমে একদিকে যেমন সায়নীকে খোঁচা দিলেন জিতু, অন্যদিকে বুঝিয়ে দিলেন তিনি 'ওয়ান ওম্যান ম্যান', তাই প্রাক্তন স্ত্রীর সঙ্গে বন্ধুত্ব এখনও অটুট রয়েছে। সবচেয়ে বেশি চর্চা হচ্ছে লাইভের লোকেশন নিয়ে। কোনও ব্যক্তিগত জায়গা নয়, জিতু লাইভ করেন কেন্দুয়া শান্তিসংঘের পুজোমণ্ডপের সামনে দাঁড়িয়ে। এই পুজোর ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর ছিলেন স্বয়ং সায়নী। তাই অভিনেতার কৌশলী পদক্ষেপ নিয়েও চর্চা শুরু হয়েছে।

আসলে একটা সম্পর্কে বিচ্ছেদ মানেই তিক্ততা নয়, ডিভোর্সের পরে দু’জন মানুষ আজীবন ভালো বন্ধু হয়ে থাকতে পারেন, আর সেটাই তাঁরা সমাজকে দেখাতে চান বলে বার্তা দিতে চেয়েছেন বিতর্কিত অভিনেতা (Jeetu Kamal)। নবনীতাও প্রাক্তন স্বামীকে সমর্থন করে জানিয়েছেন তিনি কোনদিনই সায়নী বা অন্য কারোর কাছে গিয়ে জিতুর সম্পর্কে কোনও অভিযোগ করেননি। অভিনেতার কথায়, “মিথ্যে বলতে বলতে এমন জায়গায় পৌঁছে গিয়েছেন যেখানে মানুষ আর বিশ্বাস করছে না।” পাশাপাশি তিনি এও বলেন, “বাংলা রাজনীতিতে একটা নোংরা ট্রেন্ড তৈরি হয়েছে। কেউ ডিভোর্স করলেই ধরে নেওয়া হয় তাঁদের মধ্যে বিষাক্ত সম্পর্ক রয়েছে। আমরা সেটা মানি না।” দুই প্রাক্তনের এভাবে লাইভে ধরা দেওয়ার মধ্যে কেউ দেখছেন বন্ধুত্বের জোর, কেউ আবার তৃণমূল সাংসদ-অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে বামপন্থী অভিনেতার সুপরিকল্পিত জবাবের প্রশংসা করেছেন। সংঘাত কোথায় গিয়ে থামবে এখন সেটাই দেখার।

-

-

-

-

-

-

Sponsored

Merlin In Article

Sponsored

Shyam Sundar In Article

Sponsored

Camelia In Article

Sponsored

Techno India In Article

Sponsored

Probe In Article

Related Articles

More from শিরোনাম

View All →