Site Logo

তাপস-সজলদের ধরে রাখতে পারেনি দল! শপথের পরে স্যোশাল মিডিয়া পোস্টে আত্মবিশ্লেষণের বার্তা কুণালের

EBBS DESK·
তাপস-সজলদের ধরে রাখতে পারেনি দল! শপথের পরে স্যোশাল মিডিয়া পোস্টে আত্মবিশ্লেষণের বার্তা কুণালের

বুধবারের পরে বৃহস্পতিবার- বিধানসভায় চলছে নির্বাচিত বিধায়কদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান। বেলেঘাটা কেন্দ্র থেকে এবারই প্রথম বিধায়ক হলেন কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh)। এদিন বিধানসভায় তাঁকে শপথবাক্য় পাঠ করান প্রোটেম স্পিকার তাপস রায়। শপথগ্রহণের সেই ছবি পোস্ট করে দলে আত্মবিশ্লেষণের বার্তা বেলেঘাটার (Beleghata) তৃণমূল (TMC) বিধায়কের। 

Sponsored

Sranchi In Article

দল বাংলার ক্ষমতা ধরে রাখতে না পারলেও, বেলেঘাটার গড় ধরে রাখলেন কুণাল কুমার ঘোষ। পরেশ পালের বিধানসভা কেন্দ্রটি কঠিন লড়াইয়ে জিতে তৃণমূলের দখলেই রেখেছেন তিনি। বুধবার, থেকে শুরু হয়েছে বিধায়কদের শপথগ্রহণ। শপথবাক্য পাঠ করাচ্ছেন প্রোটেম স্পিকার তাপস রায়। যিনি এক সময় ছিলেন তৃণমূলেই। ছিলেন কুণালের (Kunal Ghosh) ঘনিষ্ঠও। তাপস রায় (Tapos Ray) যখন তৃণমূল ছাড়ার কথা জানিয়েছিলেন, তখন তাঁর বাড়ি গিয়ে বুঝিয়েছিলেন কুণাল। আজ তাপস বিজেপিতে- প্রোটেম স্পিকার। আর তিনিই শপথবাক্য পাঠ করালেন তৃণমূল বিধায়ক কুণালকে। সেই ছবি পোস্ট করে তাপস-সজলদের মতো নেতারা তৃণমূল ছাড়ায় ক্ষতি হয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক। দিয়েছেন আত্মবিশ্লেষণের বার্তাও। 

কী লিখেছেন কুণাল?
“বিধানসভায় বিধায়ক হিসেবে শপথ। ধন্যবাদ মাননীয়া দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ধন্যবাদ বেলেঘাটা কেন্দ্রের নাগরিকদের। শপথ পাঠ করালেন মাননীয় প্রোটেম স্পিকার তাপস রায়। দীর্ঘদিনের দাদা এবং নেতা। তাপসদাকে তৃণমূলে রাখতে আমরা চেষ্টা করেছিলাম। পারিনি, দুর্ভাগ্য। পরে রাজনৈতিক বিরোধিতা থাকলেও ব্যক্তিগতভাবে আমি তাপসদাকে ভালো বলায় আমাকে দল সাসপেন্ড করেছিল। ঘটনাচক্রে আমি আজ দলের বিধায়ক এবং শপথবাক্য পাঠ করছি বিজেপির হয়ে জিতে আসা তাপসদার হাতে। ভাগ্যচক্র। সজল পুরপিতাও বটে। উত্তর ও মধ্য কলকাতায় তাপসদা, সজল ঘোষদের বাধ্য করা হয়েছিল দল ছাড়তে। দুজনকেই রাখার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছিলাম। আজ তারা বিধায়ক । আমি তৃণমূলের সৈনিকই আছি। লড়াই চলবে। তবে যার বা যাদের জন্যে তাপসদা, সজলরা, আরও অনেকে দল ছেড়েছে, দলের ক্ষতি হয়েছে, তারপরেও একইরকম হোয়াটসঅ্যাপ কাঁদুনি পলিটিক্স করে স্বজনপোষণ চলছে, সেটা খুবই আপত্তির এবং উদ্বেগের। এভাবে চললে কর্মীরা ধৈর্য হারাচ্ছেন। তৃণমূলকে চাঙ্গা করার লড়াইতে আত্মবিশ্লেষণটাও জরুরি। আমরা তৃণমূলের সৈনিকরা দলনেত্রীর নির্দেশে লড়ছি। জয় বাংলা।“
আরও খবর:ইডি দফতরে হাজিরা শান্তনুর, আর্থিক তছরুপ মামলায় চলছে জিজ্ঞাসাবাদ 

সব শেষে স্বভাবসিদ্ধ রসিকতায় কুণাল লিখেছেন, “পুনশ্চ: কেস দেবেন না প্লিজ।“ এখন তাঁর বার্তা দলে পৌঁছয় কি না সেটাই দেখার।

-

-

-

-

-

-

Sponsored

Merlin In Article

Sponsored

Shyam Sundar In Article

Sponsored

Camelia In Article

Sponsored

Techno India In Article

Sponsored

Probe In Article

Related Articles

More from শিরোনাম

View All →