যোগীরাজ্যে কর্মরত হুগলির (Hooghly) এক তরুণ চিকিৎসকের অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ের (Banaras Hindu University) অধীন আইএমএসের হস্টেল থেকে উদ্ধার হয়েছে ২৬ বছরের ঋত্বিক কুণ্ডুর (Ritwik Kundu) দেহ। ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ, ইতিমধ্যেই বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে এসেছে।
রবিবার হস্টেল রুমের দরজা দীর্ঘক্ষণ বন্ধ থাকায় সন্দেহ হয়। পরে ঘরের ভিতরে ঢুকে ঋত্বিক কুণ্ডুকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। তদন্তকারীদের দাবি, ঘর থেকে একটি চিঠি (Letter) পাওয়া গিয়েছে। পাশাপাশি তাঁর হাতে একটি আইভি ক্যানুলাও লাগানো ছিল। ঘটনার আসল কারণ জানার জন্য দেহ ময়নাতদন্তে (Post-Mortem) পাঠানোর পাশাপাশি ফরেন্সিক পরীক্ষারও (Forensic Examination) ব্যবস্থা করা হয়েছে।
ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হওয়া চিঠিতে বাবা মায়ের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন ঋত্বিক। তিনি লিখেছেন, পরিবারের কোনও ইচ্ছা পূরণ করতে পারেননি। পাশাপাশি জীবনের চাপ এবং কঠিন বাস্তবতার কথাও উল্লেখ করেছেন তিনি। তবে ওই চিরকুটই মৃত্যুর একমাত্র কারণ কি না, তা এখনই নিশ্চিত করে বলতে চাইছে না পুলিশ। ঘটনার সব দিক খতিয়ে দেখতে পরিবারের সদস্য,বন্ধু এবং সহকর্মীদের সঙ্গে কথা বলছেন তদন্তকারীরা। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এবং সব রকমের তদন্তের উপর ভিত্তি করে পরবর্তী পদক্ষেপ করা হবে বলে জানিয়েছেন পুলিশ।
















