অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং আইপ্যাকের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে 'আসল তৃণমূল অর্থাৎ ঋতব্রতপন্থী তৃণমূলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুরনো সঙ্গী রবীন্দ্রনাথ ঘোষ। তিনি জানিয়েছেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা কম সেই কারণে তাঁকে রাজনীতির অঙ্গণ থেকে সরালে নেতারা আবার মমতার কাছে যাবেন।
রবীন্দ্রনাথের বক্তব্য, "তৃণমূল-কংগ্রেস একটাই। তৃণমূল-কংগ্রেসে আগেও ছিলাম, এখনও আছি, আগামী দিনেও থাকব। সুতরাং সংখ্যাগরিষ্ঠ লোক যেখানে থাকবে, বিশেষ করে উত্তরবঙ্গের তৃণমূল নেতা, বিধায়করা যেখানে আছেন, আমাদেরও সেখানে থাকা প্রয়োজন বলে মনে করছি। আমরা দিদির সঙ্গে লড়াই করে এসেছি। এখনও দিদিকে সম্মান করি, শ্রদ্ধা করি। কিন্তু দিদির হাতে কি সত্যিই ক্ষমতা আছে? এটা দলের একজন সাধারণ কর্মীরও প্রশ্ন।" তাঁর বক্তব্য, "সাধারণ কর্মীরা আজ অত্যাচারিত হচ্ছেন। আমাদের দিকে তাকিয়েই দলে শামিল হয়েছিলেন তাঁরা। এই পরিস্থিতিতে তাঁদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক কর্তব্য। সেই কর্তব্য পালন করতেই এমন সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।"
আইপ্যাকের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে রবীন্দ্রনাথের বক্তব্য, "পুরনো ৮০ জনকে টিকিট দেওয়া হয়নি। বঞ্চিত করা হয়েছে পুরনোদের। তখন থেকেই দলের পতন শুরু হয়েছে। আইপ্যাকের নামে যে বাচ্চা বাচ্চা ছেলেমেয়েরা বাইরের রাজ্য থেকে কাজ করতে এসেছে, আমাদের মতো দীর্ঘদিনের রাজনীতিবিদদের তারা নির্দেশ দিত কী করতে হবে। আইপ্যাকের জন্যই ভরাডুবি। আমরা লড়াই করে, আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে দলকে এই জায়গায় নিয়ে এসেছি। ২০১১ সালে, ২০১৬ সালে কোনও আইপ্যাক ছিল না। দরকারই হয়নি। হঠাৎ কী এমন হল যে আইপ্যাককে প্রয়োজন পড়ল?"
অভিষেকের বিরুদ্ধে তিনি বলেন, "আইপ্যাক এবং অভিষেকের জন্যই এটা হয়েছে। দিদি যদি অভিষেককে সরিয়ে দেন, তাহলে অনেক পুরনো নেতাই ফিরে আসবে। পুরনো কর্মীরা মমতার দিকে ফিরবেন। নেতা হতে গেলে অনেক কিছু ত্যাগ করতে হয়। সেই জায়গাটায়...দিদি মনে হয় পারেনি। অভিষেকের অভিজ্ঞতা কম। লড়াই-আন্দোলনের অভিজ্ঞতা নেই বললেই চলে।"
















