রথযাত্রা (Rathayatra Celebration) উপলক্ষে রীতি মেনে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে পুরীতে (Puri) শুরু জগন্নাথ আরাধনা। এদিন ভোর ৬টায় মঙ্গল আরতির মাধ্যমে উপচার শুরু হয়। লোকারণ্য ওড়িশার সৈকত নগরী। সকাল সাড়ে ৯টা থেকে শুরু হয়েছে পাহান্ডি। গর্ভগৃহ থেকে দেবমূর্তিগুলিকে রথে আনার প্রক্রিয়া চলছে। বিকেল ৪টেয় রশিতে টান পড়বে, জগন্নাথ বলরাম সুভদ্রা রওনা দেবে মাসির বাড়ি গুন্ডিচা মন্দিরের উদ্দেশে।
শুক্লপক্ষের পুণ্যতিথিতে বৃষ্টি উপেক্ষা করে রেকর্ড ভিড় পুরী জুড়ে, নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। শহরের বিভিন্ন এলাকায় মোতায়েন রয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী। ড্রোন দিয়ে নজরদারি চলছে। বাসের রাজ্যে করোনার ভয়কে মাথায় রেখে সতর্ক রয়েছে প্রশাসন। যদিও আগত ভক্ত মনে এসবের কোনও প্রভাব নেই। তাঁরা ব্যস্ত জগন্নাথ দর্শনে। প্রতি বছর নতুন কাঠ দিয়ে তিনটি রথ নন্দীঘোষ, তালধ্বজ, দর্পদলন তৈরি করা হয়। তিনটি আলাদা আলাদা রথে তিন দেবতাকে বসানো হয়। ভগবান দর্শন করার জন্য এই দিন আর মন্দিরে যেতে হয় না বরং জগন্নাথ নিজেই বাইরে বেরিয়ে আসেন বলে রথযাত্রার একটা আলাদা তাৎপর্য রয়েছে। ধর্মীয় উপাচার মেনে দ্বৈতপতিদের তত্ত্বাবধানে ইতিমধ্যেই পুরীর মন্দিরে মৈলম, তড়প লাগি, রোষ হোম, অবকাশ, সূর্যপুজো, দ্বারপাল পুজো সম্পন্ন হয়েছে। চলছে সকালের ভোগ পর্বের প্রস্তুতিও।
















