রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই কেন্দ্র, নির্বাচন কমিশন ও বিজেপিকে (BJP) তুলোধোনা করলেন তৃণমূলের দুই সাংসদ সাগরিকা ঘোষ (Sagarika Ghosh) ও সৌগত রায় (Sougata Ray)। বৃহস্পতিবার দিল্লিতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে দেখা করেন ঋতব্রত-সন্দীপন সাহার টিম। কিন্তু তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত দুই বিধায়ক কীভাবে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) অফিসে গেলেন? শুধু তাই নয়, তাঁদের সঙ্গে কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার (Gyanesh Kumar) দেখা করলেন? সেই প্রশ্ন তুলে দিলেন এদিন দিল্লির সাংবাদিক বৈঠকে সরব হন সৌগত-সাগরিকারা। রাজ্যসভার সাংসদ সাগরিকা জানিয়েছেন, "দল থেকে ঋতব্রত-সন্দীপন সাহাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তারপরেও কীভাবে তাঁদের সঙ্গে দেখা করলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। কোনও দলের প্রতিনিধিই একমাত্র নির্বাচন কমিশনে চিঠি দিতে পারেন কিংবা দেখা করতে যান। একটা টুটফুটিয়া গোষ্ঠী চলে গেল কমিশনে। আর সেখানে গিয়ে তৃণমূলের নাম-প্রতীকের দাবি জানাল। এটা লজ্জার। গোটা দেশ দেখল, আজকে যা ঘটল।" এদিন দলের অবস্থান স্পষ্ট করে সাগরিকার বলেন, "সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে নির্বাচন কমিশনের কাছে সাক্ষাতের বিষয়ে কোনও চিঠি দেওয়া হয়নি। যাঁরা কমিশনে গেলেন তাঁরা তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত।"
এরপরেই বিজেপির কুকীর্তি তুলে ধরে তাঁদের নিশানা করেন তৃণমূলের বর্ষীয়ান সাংসদ সৌগত রায়। বলেন, "অমিত শাহ বিভিন্ন বিরোধী দলকে ভাঙার জন্য সব হাতিয়ার ব্যবহার করছেন। সম্প্রতি অনেক ঘোটালা হচ্ছে। রামমন্দিরের জন্য সংগৃহীত অর্থ ব্যবহার করেই দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ভাঙানোর চেষ্টা চলছে। নির্বাচন কমিশন স্বাধীনভাবে কাজ করছে না, বরং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের (Amit Shah) নির্দেশেই কমিশনের কাজকর্ম পরিচালিত হচ্ছে। রামমন্দিরের টাকাতেই বিভিন্ন দল ভাঙার খেলা চলছে। অমিত শাহই নির্বাচন কমিশন চালান। তাঁর নির্দেশে বেআইনি বৈঠক করা হয়েছে। এখন নির্বাচন কমিশনকে জ্ঞানেশ কুমার চালাচ্ছেন।”
এরপরেই মহুয়া মৈত্রর (Mahua Moitra) উপর হামলার ঘটনার কথা উল্লেখ করে সৌগত বলেন, "মহুয়া মৈত্রের উপর আক্রমণ হয়েছে। স্পিকারের সঙ্গে দেখা করার সময় চেয়েছিলাম, সময় পাইনি। আমি তাঁর প্রতিনিধির কাছে চিঠি দিয়েছি। আমরা জানতে চেয়েছি, নির্বাচিত প্রতিনিধিরা কি তার এলাকায় যেতে পারবেন না?"
















