২১ শে জুলাইয়ের মঞ্চ থেকে রাজ্যের বর্তমান সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ শাণালেন প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক তথা প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীর। ১৯৯৩ সালের আজকের দিনে নিজের পুলিশি জীবনের অভিজ্ঞতা স্মরণ করে তিনি দাবি করেন, বর্তমানে দেশে 'ভয় ইন, ভরসা আউট' পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

ইসিআই (ECI)-এর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, "৬৫ লক্ষ মানুষকে ‘লজিক্যাল ডিস্ক্রিপেন্সি’-তে ফেলা হয়েছে, যার শিকার আমি নিজেও। ২৮ লক্ষ মানুষ ভোট-ই দিতে পারেনি। বাঁকা পথে ভোট করিয়ে ক্ষমতার চূড়ায় বসলেও এই জয় মানুষের প্রকৃত ভোটে আসেনি। এই সরকার তাই ভয়ে ভয়েই গদিতে বসেছে।" 

সরকারের আনা নতুন 'গুন্ডা দমন আইন'-কে ১৯১৯ সালের ব্রিটিশদের ‘রাউলাট অ্যাক্ট’-এর চেয়েও বিপজ্জনক আখ্যা দিয়ে তিনি তোপ দাগেন। কবিরের কথায়, "১০৬ বছর পর স্বাধীন ভারতে এমন আইন আনা হলো যেখানে ‘নো উকিল, নো আপিল, নো দলিল, নো এফআইআর, নো বেল’। সন্দেহের বশে মানুষকে আটক করার এই আইন দিয়ে মূলতঃ ছাত্র, সাংবাদিক ও বিরোধীদের টার্গেট করা হচ্ছে।" ভোটের দীর্ঘদিন পরেও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন রাখা এবং গরিবদের ওপর বুলডোজার চালানোর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি স্পষ্ট জানান, গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নিয়ে বিরোধীদের মুখ বন্ধ করার চক্রান্ত চলছে। দিল্লিতে সিজেপির উপরে হামলা নিয়ে নিন্দা করেন তৃণমূলের এই প্রাক্তন বিধায়ক।