নদিয়ার শান্তিপুরের (Shantipur, Nadia) একটি প্রাথমিক স্কুলে মিড ডে মিলের মাংসকে কেন্দ্র করে স্কুলে তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। ঘটনাটি ঘটেছে নতুনপাড়া জনকল্যাণ বুনিয়াদি শিক্ষালয়ে। অভিযোগ, পড়ুয়াদের জন্য বরাদ্দ মিড ডে মিলের মাংস শিক্ষকের বিবাহবার্ষিকীর (Wedding Anniversary) অনুষ্ঠানে ব্যবহারের জন্য আলাদা করে সরিয়ে রাখা হয়েছিল। এই অভিযোগ সামনে আসতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন অভিভাবকরা। পরিস্থিতি এতটাই উত্তেজিত হয়ে পরে পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পুলিশকে আসতে হয়।
অভিভাবকদের অভিযোগ, ওই মাংস স্কুলের পড়ুয়াদের জন্য বরাদ্দ ছিল। এছাড়াও দীর্ঘদিন ধরে মিড ডে মিলের (Mid-day Meal) খাদ্যসামগ্রী নিয়ে নানা অনিয়ম চলছে। শুধু এই মাংসের ঘটনাই নয়, প্রায়ই পড়ুয়াদের খাবারের একটি অংশ মিড ডে মিলের কর্মীরা বাড়ি নিয়ে যায় বলে অভিযোগ অভিভাবকদের। কিন্তু অন্যদিকে মিড ডে মিলের কর্মীরা পাল্টা দাবি করেন, তাঁরা নন বরং শিক্ষকরাই নিজেদের ব্যাক্তিগত অনুষ্ঠানে ছাত্রছাত্রীদের জন্য বরাদ্দ খাবার ব্যবহার করে। এই ঘটনা নতুন নয়, এর আগেও ঘটেছে এই ঘটনা।
তবে এই অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন শিক্ষক শিক্ষিকারা। তাঁদের বক্তব্য, এক শিক্ষকের বিবাহবার্ষিকী উপলক্ষে মাংস আনা হয়েছে, মিড ডে মিলের জন্য বরাদ্দ মাংস থেকে সেই মাংস সরিয়ে আনা হয়নি। আলাদাভাবে কিনে আনা হয়েছে। স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক অনামিকা সাহা (Anamika Saha) বলেন, “প্রতিদিন মিড ডে মিলের কর্মীরাই বাচ্চাদের খাবার চুরি করে। আমরা কোনও খাবার বাড়ি নিয়ে যাই না।”
















