Site Logo

দ্রুত তদন্ত শেষ করুন: কমিশনকে চিঠি তৃণমূল সুপ্রিমোর

EBBS DESK··1 min read
দ্রুত তদন্ত শেষ করুন: কমিশনকে চিঠি তৃণমূল সুপ্রিমোর

আপনাদের দেওয়া সময়ের মধ্যেই আপনাদের চাওয়া সব তথ্য ও নথি আমরা জমা দিয়েছি। কিন্তু উল্টোদিকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের (Ritabrata Banerjee) তরফে কোনও নথি জমা দেওয়া হয়নি। অথচ বাড়তি সময় পেরিয়ে গিয়েছে। এই আবহে যত দ্রুত সম্ভব আপনাদের তদন্ত শেষ করুন। এই মর্মে নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়েছেন তৃণমূল (TMC) সভানেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। দিনক্ষণ উল্লেখ করে কড়া চিঠি লেখেন মমতা।  

Sponsored

Sranchi In Article

জাতীয় নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) সচিব অশ্বিনী কুমার মহলকে লেখা চিঠিতে মমতা লেখেন, 
“নিম্নস্বাক্ষরকারীর (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) উদ্দেশ্যে প্রেরিত ২ জুলাইয়ের চিঠির প্রেক্ষিতে, উল্লিখিত বিষয়গুলির যথাযথ জবাব ৬ তারিখের বিকেল সাড়ে ৫টার মধ্যে দাখিল করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তবে শর্ত ছিল যে, সংশ্লিষ্ট চিঠিপত্রগুলির প্রতিলিপি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রদান করতে হবে এবং তা প্রদানের প্রমাণপত্র কমিশনের কাছে জমা দিতে হবে। পরবর্তীতে ২ জুলাই আপনার পক্ষ থেকেও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে আরেকটি চিঠি পাঠানো হয়, যেখানে উক্ত চিঠিতে উল্লিখিত বিষয়গুলির যথাযথ জবাব ৬ জুলাই বিকেল সাড়ে ৫টা মধ্যে দাখিল করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। এক্ষেত্রে শর্ত ছিল যে, সংশ্লিষ্ট চিঠিপত্রগুলির প্রতিলিপি নিম্নস্বাক্ষরকারীকে প্রদান করতে হবে এবং তা প্রদানের প্রমাণপত্র কমিশনের কাছে জমা দিতে হবে।“

Sponsored

Merlin In Article

চিঠিতে তাঁদের তরফে পাঠানো জবাবের দিনক্ষণ উল্লেখ করে মমতা লেখেন, “এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন যে, আমার (নিম্নস্বাক্ষরকারীর) পক্ষ থেকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই ৬ তারিখের একটি ইমেইলের মাধ্যমে জবাব পাঠানো হয়েছিল। এছাড়া সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, মহুয়া মৈত্র এবং সাগরিকা ঘোষের মাধ্যমেও ৬ জুলাই তারিখে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেই জবাবটি সশরীরে পৌঁছে দেওয়া হয়েছিল। অথচ, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষ থেকে কোনও জবাব দাখিল করা হয়নি। বরং ৭ জুলাইয়ের একটি চিঠির মাধ্যমে, পরবর্তী সময়ে উপযুক্ত জবাব দাখিল করার জন্য (ঋতব্রত) বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুরোধ আপনি মঞ্জুর করেছিলেন এবং তাঁকে ১০ জুলাই বিকেল সাড়ে ৫টার মধ্যে তা দাখিল করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। ১০ তারিখ পেরিয়ে যাওয়ার পরেও এবং সেই সময় থেকে প্রায় দুদিন অতিক্রান্ত হওয়ার পরেও, উক্ত জবাবের বিষয়ে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষ থেকে আমার সঙ্গে কোনও যোগাযোগ করা হয়নি। সুতরাং, ভারতের নির্বাচন কমিশনের আরোপিত শর্ত থাকা সত্ত্বেও আমার সঙ্গে যোগাযোগ করতে ব্যর্থতা বা যোগাযোগের অনুপস্থিতি থেকে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া যায় যে, বর্ধিত সময়সীমার মধ্যেও নির্বাচন কমিশনকে উক্ত জবাব দেওয়া করা হয়নি। উল্লেখ্য, পরবর্তী সময়ে জবাব দাখিল করার জন্য ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে যে বাড়তি সুযোগ দেওয়া হয়েছিল, তা আমাকে দেওয়া হয়নি। আমাকে ২ তারিখের যোগাযোগের জবাব দেওয়ার জন্য কার্যত মাত্র দুটি অর্ধ-কর্মদিবস সময় দেওয়া হয়েছিল। ১০ জুলাইয়ের পর আরও ৪৮ ঘণ্টা পেরিয়ে যাওয়ার পরেও আপনার দফতর সম্পূর্ণ নীরবতা পালন করে চলেছে এবং (ঋতব্রত) বন্দ্যোপাধ্যায়কে আরও বাড়তি সময় ও সুযোগ দিচ্ছে, যা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের অসৎ উদ্দেশ্যের প্রতি আপনার পক্ষপাতকেই নির্দেশ করে।
অতএব, জোর দিয়ে বলা হচ্ছে যে, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে আর কোনও সময় না দিয়ে নিম্নস্বাক্ষরকারীর পক্ষ থেকে দাখিলকৃত জবাবটি অবিলম্বে বিবেচনা করা হোক।“

Sponsored

Shyam Sundar In Article

 

Sponsored

Camelia In Article

Sponsored

Techno India In Article

Sponsored

Probe In Article

Related Articles

More from শিরোনাম

View All →