Site Logo

SIR বিতর্কে হাইকোর্টে জোড়া মামলা, রাজ্যের কাছে জবাব তলব

EBBS Desk··1 min read
SIR বিতর্কে হাইকোর্টে জোড়া মামলা, রাজ্যের কাছে জবাব তলব

ভোটার তালিকা সংশোধন (SIR) প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে আইনি জটিলতা আরও বাড়ল। ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ার প্রভাব শুধুমাত্র ভোটাধিকারেই সীমাবদ্ধ থাকছে না, তার জেরে বিভিন্ন ব্যাক্তিগত কাজ ও সরকারি প্রকল্পের সুবিধা না পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই দুই ভিন্ন ইস্যু নিয়ে বুধবার কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) পৃথক মামলার শুনানিতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিয়েছে ডিভিশন বেঞ্চ (Division Bench)।

Sponsored

Sranchi In Article

প্রথম মামলায় এক আবেদনকারী জানান, ভোটার তালিকায় তাঁর নাম না থাকায় তিনি নিজের সম্পত্তি বিক্রির ক্ষেত্রেও সমস্যায় পড়ছেন। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে গঠিত সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনাল (Tribunal) যথাযথভাবে কাজ করছে না বলেও অভিযোগ তোলা হয়। বিষয়টি শুনে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী (Chief Justice Tapobrata Chakraborty) ও বিচারপতি পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়ের (Justice Parthasarathi Chatterjee) ডিভিশন বেঞ্চ নির্দেশ দেয়, ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রমে কোথায় সমস্যা এবং তার ফলে আবেদনকারীর কী ধরনের অসুবিধা হচ্ছে, তা বিস্তারিত উল্লেখ করে ৭ জুলাইয়ের মধ্যে হলফনামা জমা দিতে হবে। ওই দিনই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।

Sponsored

Merlin In Article

একই দিনে পশ্চিমবঙ্গ ক্ষেত মজদুর সমিতির (West Bengal Agricultural Labourers' Association) দায়ের করা একটি জনস্বার্থ মামলাতেও এসআইআর প্রক্রিয়ার প্রভাব নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। মামলাকারীদের দাবি, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ার কারণে বহু মানুষ রেশন এবং 'অন্নপূর্ণা যোজনা'র সুবিধা পাচ্ছেন না। এ বিষয়ে আদালত রাজ্য সরকারের অবস্থান জানতে চেয়ে ২১ জুলাইয়ের মধ্যে রাজ্যকে এই বিষয়ে জবাব দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। শুনানিতে রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল সুরজিৎ নাথ মিত্র (Advocate General Surajit Nath Mitra) জানান, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং এসআইআর প্রক্রিয়ায় কারা প্রভাবিত হয়েছেন, তা যাচাই করেই আদালতে রাজ্যের অবস্থান জানানো হবে।

Sponsored

Shyam Sundar In Article

মামলাকারীদের অভিযোগ, ১৯ জুন প্রকাশিত রাজ্য সরকারের একটি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এসআইআরের তথ্য অনুযায়ীই রেশন ও 'অন্নপূর্ণা যোজনা'র সুবিধাপ্রাপকদের তালিকা তৈরি করা হবে। তাঁদের আশঙ্কা, এর ফলে প্রান্তিক মানুষ, দিনমজুর, পরিযায়ী শ্রমিক এবং বহু মহিলা সরকারি প্রকল্পের সুবিধা হারাতে পারেন। পাশাপাশি, ২০১৩ সালের জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তা আইনের বিধানের সঙ্গে এই সিদ্ধান্তের সামঞ্জস্য নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে। সেই কারণেই সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞপ্তির বৈধতা বিচার করে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে কলকাতা হাইকোর্টে।

Sponsored

Camelia In Article

Sponsored

Techno India In Article

Sponsored

Probe In Article

Related Articles

More from শিরোনাম

View All →