Site Logo

ভেনেজুয়ালায় মার্কিন আগ্রাসন: রাষ্ট্রপতি মাদুরোর পতনে তেলের রাজনীতি ট্রাম্পের!

EBBS Desk·
ভেনেজুয়ালায় মার্কিন আগ্রাসন: রাষ্ট্রপতি মাদুরোর পতনে তেলের রাজনীতি ট্রাম্পের!

নিজের দেশকে বাঁচানোর অজুহাতে প্রতিবেশীকে আক্রমণের যে নীতি ইজরায়েল-প্যালেস্তাইনের ক্ষেত্রে নিয়েছিল আমেরিকা, সেই একই প্রতিফলন ভেনেজুয়েলার (Venezuela) ক্ষেত্রেও। কার্যত কোল্ড ওয়ারের (Cold War) পরে সরাসরি একটি দেশের উপর হামলা চালিয়ে তা দখল করে নেওয়ার মতো আগ্রাসী পদক্ষেপ এতদিন আমেরিকা নেয়নি। ভেনেজুয়ালার উপর মার্কিন হামলা ও রাষ্ট্রপতিকে বন্দি (president captured) করার ঘটনায় ফের একবার পক্ষ নেওয়ার পালা গোটা বিশ্বের। যেখানে ইতিমধ্যেই রাশিয়ার (Russia) তরফে মার্কিন হামলার নিন্দা করা হয়েছে। তবে যে তেলের বাণিজ্যের পথে ভেনেজুয়েলার অবস্থান, তার কথা মাথায় রেখে সাবধানী বার্তা ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের (European Union)।

Sponsored

Sranchi In Article

বড় দিনের উৎসব চলাকালীনই ভেনেজুয়েলার উপর আগ্রাসী নীতি প্রয়োগের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার মধ্যরাতে আচমকাই সেই ইঙ্গিতের চরম সংকেত পেল ভেনেজুয়েলা। একের পর এক বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে রাজধানী কারাকাস (Caracas)। এক তরফা মার্কিন সৈন্যের আকাশ পথে অনুপ্রবেশ দেখা যায়। আর দিনের আলো ফুটতেই ছবিটা স্পষ্ট হয়ে যায়, যেখানে দেখা যায় মার্কিন সেনা একের পর এক রাষ্ট্রীয় প্রশাসনিক ক্ষেত্রের দখল নিয়ে নেয়। হোয়াইট হাউসের (White House) তরফে ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Donald Trump) বিবৃতি তুলে ধরে দাবি করা হয়, ভেনেজুয়েলায় সফল এয়ার স্ট্রাইক করতে পেরেছে আমেরিকা। রাষ্ট্রপতি নিকোলাস মাদুরো (Nicolas Maduro) ও তাঁর স্ত্রীকে অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

যদিও এরপরেও ভেনেজুয়েলার সেনাপ্রধান দাবি করেন, ভেনেজুয়েলা কারও আগ্রাসন স্বীকার করেনি। তারা আগ্রাসী শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই জারি রেখেছে। গোটা দেশে সামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে বলেও জানান প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ভ্লাদিমির লোপেজ। সেই সঙ্গে ভেনেজুয়েলার উপরাষ্ট্রপতি দাবি করেন, রাষ্ট্রপতি মাদুরোর বেঁচে থাকার প্রমাণ দেখাতে হবে আমেরিকাকে।।

এরপর হোয়াইট হাউসের তরফে আবার একটি বিবৃতি জারি করে দাবি করা হয়, নিউ ইয়র্কের দক্ষিণের একটি জেলায় এনে রাখা হয়েছে মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে। এরপরই একাংশের আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা দাবি করেন, ২ জানুয়ারি মাদুরো (Nicolas Maduro) বৈঠক করেছিলেন চিনের (China) প্রতিনিধিদের সঙ্গে। সেই বৈঠকই শুক্রবার রাতে শেষ হয়। আর তারপরেই প্রতিবেশী দেশের উপর কোনও রকম হুঁশিয়ারি না দিয়ে হামলা চালায় ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন।

আরও পড়ুন : শপথ নিয়েই কাজে মামদানি: নিউইয়র্কবাসীর জন্য সুলভ ঘর তুলে দিতে পদক্ষেপ

এই হামলার ঘটনায় ইউরোপের একাধিক দেশ এখনও নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেনি। ভেনেজুয়ালার উপর আমেরিকা এতটাই আচমকা আক্রমণ চালিয়েছে, যে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টার্মার দাবি করেন, ইংল্যান্ডের পক্ষে কোনও মন্তব্যই করা সম্ভব নয়। ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের (European Union) পক্ষ থেকে মাদুরোর ক্ষমতা হস্তান্তরের বার্তা দেওয়া হলেও ট্রাম্পের হামলাকে সম্পূর্ণভাবে সমর্থন করা হয়নি। তবে ভেনেজুয়েলার উপর আমেরিকার আগ্রাসী অস্ত্র প্রয়োগের নিন্দা করেছে রাশিয়া। সেই সঙ্গে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে ভেনেজুয়েলার জন্য পাঠানো তেলের উপর যেন কোনওভাবে মার্কিন দখলদারি না হয়।

-

-

-

-

Sponsored

Merlin In Article

Sponsored

Shyam Sundar In Article

Sponsored

Camelia In Article

Sponsored

Techno India In Article

Sponsored

Probe In Article

Related Articles

More from শিরোনাম

View All →