ঋতব্রত তৃণমূলের ডাকা বৈঠকে মুখ ঢেকে বেরোলেন কারা? কেন? তা এখনও অজানা। এ নিয়ে একহাত নিলেন বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ।
কুণাল জানান,"চাটন শিবিরে যারা বৈঠকে গেলেন তাঁরা বেরোনোর সময় মুখ ঢেকে বেরোচ্ছেন। একটা রাজনৈতিক বৈঠক তা নিয়ে বিতর্ক থাকতে পারে তা নিয়ে লড়াই থাকতে পারে মুখ ঢেকে লোকে বেরোবে কেন? দেখে মনে হচ্ছে মধুচক্র থেকে ধরে পড়েছে। ওই বালিশের ছবি তারপর মুখ ঢাকার ছবি, এগুলি বিকৃত ধারণা তৈরি হচ্ছে।"
ফিরহাদ প্রসঙ্গে কুণাল বলেন,"ফিরহাদ হাকিম যাননি বলেই শুনেছি। কেন যাননি বলতে পারব না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আন্দোলতে পদ, ক্ষমতা যদি কেউ পেয়ে থাকে তার একনম্বর ফিরহাদ হাকিম। কাউন্সিলর, এমআইসি, মেয়র, মন্ত্রী, হিডকো, দলের পদ একাধিক দফতরের পদ পেয়েছেন। এসব পাওয়ার পরে যদি কেউ ওইদিকে চলে যেতে চান তাহলে কিছু বলার নেই। কেন মেয়র পদ ছাড়লেন? সিপিএম জমানায় মেয়র ছিলেন সুব্রত মুখোপাধ্যায়। বিজেপি জমানায় ফিরহাদ দাঁতে দাঁত চিপে মেয়র থাকতেন। তিনি কেন ইস্তফা দিয়ে এই রাজনীতি করার সুযোগ করে দিলেন? তিনি চাটন ঋতর শিবিরে সহ-সভাপতি হয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী তারাতলায় বিপর্যয়ে নথিতে দেখিয়েছেন তাতে ফিরহাদ হাকিমের সই। মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন কাউকে ছাড়া হবে না।"
তৃণমূলের শহিদ তর্পণ নিয়ে কুণাল বলেন," ২১ জুলাই মানে শহিদ তর্পণ। সেটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে হয়। এবারও সেটাই হবে।"
রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে কুণাল বলেন, "সাংসদ হয়েছে দিদির দয়ায়। বড় বড় কথা বলতে গেলে সাংসদ পদ ফিরিয়ে দিয়ে তারপর বড় বড় কথা বলুক।"
















