Site Logo

সোদপুরের রাস্তায় স্ত্রীকে কুপিয়ে খুন! আত্মহত্যার চেষ্টা যুবকের, কারণ কী

EBBS Desk··1 min read
সোদপুরের রাস্তায় স্ত্রীকে কুপিয়ে খুন! আত্মহত্যার চেষ্টা যুবকের, কারণ কী

সোদপুরে (Sodepur) দিনের আলোয় প্রকাশ্যে এক মহিলাকে ছুরি মেরে খুন করার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। প্রথমে তাঁদের প্রেমিক-প্রেমিকা বলে মনে করা হলেও প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, তাঁরা আসলে স্বামী স্ত্রী। দীর্ঘদিনের পারিবারিক অশান্তি ও স্ত্রীর উপর নির্যাতনের অভিযোগের জেরেই স্ত্রী গীতা দাসের (Gita Das) উপর হামলা চালায় স্বামী সুভাষচন্দ্র দাস (Subhash Chandra Das)। ঘটনার পর নিজেকেও ছুরি মেরে আত্মহত্যার (Suicide) চেষ্টা করে অভিযুক্ত। 

Sponsored

Sranchi In Article

বুধবার সকালে সোদপুরের ফিউচার গেট এলাকায় (The Future Gate area of ​​Sodepur) কাজে যায় গীতা। সেইখানে তাঁকে কথা বলার নাম করে ডেকে পাঠায় তাঁর স্বামী। গীতা আসার পর আচমকাই ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালানো হয় তাঁর উপর। সঙ্গে সঙ্গে লুটিয়ে পড়েন গীতা। স্থানীয়রা ছুটে এসে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে অভিযুক্ত তাঁদের দিকেও তেড়ে যায়। পরে নিজের শরীরেও ছুরি চালিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে সে। খবর পেয়ে খড়দহ থানার পুলিশ (Police) ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুজনকে উদ্ধার করে সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে (Sagar Dutta Medical College and Hospital) নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসকেরা গীতাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। 

Sponsored

Merlin In Article

তদন্তে জানা গিয়েছে, উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) হাড়োয়ার (Haroa) বাসিন্দা সুভাষ পেশায় বাসচালক। খড়দহ এলাকায় (Khardah area) ৭৮/১ রুটে বাস চালানোর সময় গীতার সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। সেই সূত্রেই প্রায় পাঁচ বছর আগে তাঁদের বিয়ে হয়। বর্তমানে তাঁদের একটি মেয়ে রয়েছে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সুভাষের বক্তব্য এবং তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই পুলিশ নিশ্চিত হয়, নিহত ও অভিযুক্ত সম্পর্কে স্বামী-স্ত্রী। 

Sponsored

Shyam Sundar In Article

গীতার পরিবারের অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই সুভাষের বিরুদ্ধে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের একাধিক অভিযোগ ছিল। এই ঘটনায় আগে ঘোলা থানায় অভিযোগও দায়ের করা হয়েছিল এবং পুলিশ তাকে গ্রেফতার (Arrest) করেছিল। তবে জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার পরও স্ত্রীর প্রতি তাঁর আচরণে কোনও পরিবর্তন আসেনি। এবং বেশিরভাগ সময় বাড়ির বাইরেই থাকতেন গীতার স্বামী। তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, দীর্ঘদিনের দাম্পত্য কলহই শেষ পর্যন্ত এই নৃশংস ঘটনার কারণ। তবে পুরো ঘটনার তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ।

Sponsored

Camelia In Article

Sponsored

Techno India In Article

Sponsored

Probe In Article

Related Articles

More from শিরোনাম

View All →