আগামী ২৪ শে জুলাই রাজ্যসভার উপনির্বাচন। সোমবার বিজেপির(BJP) তিন প্রার্থী রাজ্যসভার উপনির্বাচনের জন্য মনোনয়ন জমা দিলেন বিধানসভায়।

 তৃণমূল ত্যাগী সুস্মিতা দেব, সুখেন্দু শেখর রায় , প্রকাশ চিক বারাইক রাজ্য বিধানসভায় মনোনয়ন পেশ করলেন। কয়েকদিন আগেই তৃণমূল ত্যাগ করে বিজেপিতে যোগদান করেন তিনজনে। রাজ্যসভা থেকে পদত্যাগ করা তৃণমূলের এই তিন নেতা নেত্রী নতুন দলে যোগ দেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে রাজ্যসভার টিকিটও পেয়ে যান ।  যা নিয়ে বিজেপির অন্ধরে কিছুটা প্রশ্ন দেখা দিয়েছিল। যদিও সোমবার বিধানসভায় দেখা গেল কিছুটা নজিরবিহীন দৃশ্য।

 

 তিন প্রার্থীর মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় উপস্থিত ছিলেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এর আগে তৃণমূলের কোনও প্রার্থী রাজ্যসভায় মনোনয়ন জমা দিলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে উপস্থিত থাকতে দেখা যেত না। মূলত দলের শীর্ষ নেতৃত্বের দু-একজন উপস্থিত থাকতেন কিন্তু বিজেপির ক্ষেত্রে কিছুটা ব্যতিক্রমই চিত্র দেখা গেল। কার্যত মন্ত্রিসভার হেভিওয়েট সদস্যরা যেমন ছিলেন তেমনি রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য উপস্থিত ছিলেন।

 

 সোমবার তিন প্রার্থী বিধানসভায় আসার পরই সেখানে আসেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি। এরপর একে একে আসতে শুরু করেন দিলীপ ঘোষ, স্বপন দাশগুপ্ত, অগ্নিমিত্রা পাল, তাপস রায়, অর্জুন সিংয়ের মত মন্ত্রীরা। এরপর উপস্থিত হন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বিজেপি তরফ থেকে দলীয় নেতাকর্মীদের বার্তা দেওয়া চেষ্টা হলো দলের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত।
আগামী ২৪ শে জুলাই রাজ্যসভার উপনির্বাচন সোমবার বিজেপির তিন প্রার্থী রাজ্যসভার মনোনয়ন জমা দিলেন তৃণমূল সংখ্যাতত্ত্ব অনুযায়ী, এই তিন আসনে কোনও প্রার্থী দিতে পারবে না বিরোধী তৃণমূল। তাই পদ্মপ্রতীকে এই তিনজন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ফের রাজ্যসভার সাংসদ হতে চলেছেন।রাইক রাজ্য বিধানসভায় মনোনয়ন পেশ করলেন। কয়েকদিন আগেই তৃণমূল ত্যাগ করে বিজেপিতে যোগদান করেন। রাজ্যসভা২৪ শে জুলাই সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টে পর্যন্ত ভোটাভুটি চলবে। ওইদিনই বিকেল পাঁচটা থেকে ভোট গণনা শুরু হবে। ২৭ এ জুলাই এর মধ্যে নির্বাচন কমিশন সমস্ত নির্বাচনী প্রক্রিয়া শেষ করার নির্দেশ দিয়েছে।জনপ্রতিনিধিত্ব আইন, ১৯৫১ অনুযায়ী প্রতিটি শূন্য আসনের জন্য পৃথকভাবে বিজ্ঞপ্তি জারি করে নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।

সুখেন্দু শেখর রায় ও প্রকাশ চিক বরাইকের কার্যকালের মেয়াদ ছিল ১৮ আগস্ট ২০২৯ পর্যন্ত, আর সুস্মিতা দেবের মেয়াদ ছিল ২ এপ্রিল ২০৩০ পর্যন্ত। রাজ্যে বর্তমানে ২০৭ জন বিধায়ক রয়েছেন বিজেপির। ফলে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জেরে তারাই সাংসদদের জেতাতে পারবে। থেকে