সুপ্রিম কোর্ট চোখের চিকিৎসার জন্য বিদেশ যাত্রার অনুমতি দিয়েছে। কিন্ত বেসরকারী ব্যাঙ্কের পক্ষ থেকে তাঁর অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করে রাখা হয়েছে। সোমবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ মামলায় ফের একবার বেসরকারি ব্যাঙ্ককে তীব্র ভর্ৎসনা করল আদালত। সেইসঙ্গে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট মামলায় স্বস্তি মিলল তৃণমূল। খুলে গেল তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট। ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ও ক্রেডিট কার্ড খুলে দেওয়ার কথা আদালতে জানাল ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ।
আদালেতর সওয়া জবাবের শুরুতেই অভিষেকের আইনজীবী অয়ন ভট্টাচার্য বলেন, আমার ছবি দেখতে চাইছে অথচ ছবি তোলা হয়নি। এরপর ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ পাল্টা বলেন আমরা কখনও বলিনি ওঁনাকে সশরীরে আসতে হবে।
২ পক্ষের বক্তব্য শুনে বিচারপতি বলেন, আপনারা কারোর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করলে আগে জানান। নির্ধারিত সময়ে কাজ না হলে তারপর ব্লক করুন। এটা কোনও সমাধান নয়।
এরপরই অভিষেকের আইনজীবী বলেন, কেওয়াইসি না হলে আংশিক ফ্রিজ করা যায়। তাও নোটিশ সহ। আরবিআই গাইডলাইন মেনে কাজ করতে হবে। ব্লক কেন করা হল?
ব্যাঙ্কের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, ২০১০ সালের গাইডলাইন দেখুন। আমাদের তাঁকে উদ্দেশ্যপ্রনোদিত হেরাসের কোনও ইচ্ছা নেই। এটা টেম্পোরারি ব্লকিং। (রিপোর্ট জমা দিয়েছে ব্যাঙ্ক) ক্রেডিট কার্ড, ডেবিট কার্ড সক্রিয় করা হয়েছে। অ্যাকাউন্ট ডিফ্রিজ করা হয়েছে।
বিচারপতি সব শুনে বলেন, আপাতত পুনরায় নির্দেশের প্রয়োজনীয়তা নেই। মামলা নিস্পত্তি।
কোনও কারণ না দর্শিয়ে তাঁর ব্য়ক্তিগত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হয়েছে এই অভিযোগে গত ১৭ অগাস্ট হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন তৃণমূল সাংসদ।এর আগে বৃহস্পতিবার এই মামলা শুনানিতে ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করায় ব্যাঙ্ককে তীব্র ভর্ৎসনা করল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। কেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সশরীরে ব্যাঙ্ককে গিয়ে কেওয়াইসি (KYC) করাতে হবে, সেই প্রশ্ন তোলে উচ্চ আদালত।
ব্যাঙ্কের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ বিচারপতি কৃষ্ণা রাও বলেন, "আপনারা এইভাবে অবস্থান পরিবর্তন করতে পারেন না। আপনারা প্রথমে বললেন, কেওয়াইসির জন্য ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ। এখন বলছেন, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার জন্য অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হয়েছে।এটা ব্যাঙ্কের বিষয় আপনারা জানান কীভাবে কেওয়াইসি করতে হবে।
















