পূর্ব যাদবপুর থানায় একটি লিখিত স্মারকলিপি পেশ করতে গিয়ে বিজেপির দুষ্কৃতীদের হাতে নিগৃহীত হন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী হুমায়ুন কবীর (HUmayun Kabir), তৃণমূলের আইটি সেলের প্রধান উপাসনা চৌধুরীরা। রক্তাক্ত হন প্রাক্তন আইপিএস (IPS) অফিসার হুমায়ুন। মারাত্মক জখম হয়ে বর্তমানে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন তিনি। শুক্রবার তাঁর বাড়ি গিয়ে শারীরিক পরিস্থিতির খোঁজ নিলেন তৃণমূলের (TMC) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। পরে নিজের স্যোশাল মিডিয়া (Social Media) পেজে সেই ছবি পোস্ট করে হুমায়ুনের উপর হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান অভিষেক।

 

স্যোশাল মিডিয়ায় ছবি পোস্ট করে অভিষেক লেখেন, 
“পূর্ব যাদবপুর থানায় একটি লিখিত স্মারকলিপি পেশ করার উদ্দেশ্যে আমাদের নেতৃত্ব-সহ দলীয় কর্মীরা যখন মুকুন্দপুরের মুকুন্দ ভবন থেকে এক সুশৃঙ্খল শোভাযাত্রা নিয়ে অগ্রসর হন, ঠিক তখনই মাঝপথে বিজেপির গুন্ডাবাহিনী হঠাৎ নারী-পুরুষ নির্বিশেষে তাঁদের ওপর চড়াও হয়। বাদ যাননি আমাদের দলের প্রাক্তন বিধায়ক তথা অবসরপ্রাপ্ত আইপিএস হুমায়ুন কবীর মহাশয়ও। এই আক্রমণকারীদের নিষ্ঠুর প্রহারে তিনি মারাত্মকরূপে জখম হয়েছেন এবং বর্তমানে চিকিৎসাগত তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আজ আমি তাঁর বাড়ি গিয়ে তাঁর শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে খোঁজখবর নিলাম। আমি ঈশ্বরের কাছে তাঁর দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি।“

এর পরেই রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার নিয়ে বর্তমান সরকারকে নিশানা করেন অভিষেক। তিনি লেখেন, ”বাংলায় বিজেপি সরকার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার মান যে কতটা নিচে নামতে পারে, তা এ রাজ্যের সাধারণ মানুষ ঘুণাক্ষরেও টের পাননি। গেরুয়া শিবিরের এই রাজনৈতিক প্রতিহিংসা আমরা কোনোভাবেই সহ্য করব না। এভাবে ত্রাস সৃষ্টি করে কিংবা গায়ে হাত তুলে আমাদের অবদমিত করা যাবে না। এই গণবিরোধী সরকারের এহেন হিংস্র রাজনীতির আমি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।”