বেলেঘাটায় ৩৫ ওয়ার্ডে গোপাল পোড়েলকে দেখতে গিয়ে বিজেপির আক্রমণের মুখে স্থানীয় তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ (MLA Kunal Ghosh)।শুক্রবার সন্ধ্যায় গোপাল পোড়েলের বাড়িতে যান বিধায়ক কুণাল। সেখানেই তাঁকে আক্রমণ করেন কয়েকজন বিজেপি কর্মী।

 এই ঘটনার নিন্দা করে সমাজ মাধ্যমে বিস্তারিত জানিয়েছেন তিনি। কুণাল ঘোষ লেখেন, “বিজেপির গুন্ডামি, আমাকে আক্রমণের চেষ্টা, একজনকে মারধর করেছে, গুন্ডারা আরেকজনকে খুঁজছে। পুলিশকে জানিয়েছি। অবিলম্বে পুলিশ যাক।আজ (শুক্রবার) একটু আগে বেলেঘাটার ৩৫ ওয়ার্ডে গোপাল পোড়েলকে দেখতে গেছিলাম। চিকিৎসাবিভ্রাটে ভুল এবং ঠিক, যাঁর দুটি অপারেশন হয়। শুভেন্দু অধিকারীকে জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে তাঁকে সাহায্যের ব্যবস্থাও করেছি। তাঁর বাড়ি তাঁকে দেখতে গেছিলাম। যখন বেরোচ্ছি, তখন এলাকার অনেকে ছিলেন, কথা বলেন, অন্নপূর্ণা ভান্ডার নিয়ে সমস্যার কথা বলেন। স্থানীয় রাস্তা, পুকুরের সংস্কার নিয়ে কথা চলছিল। আমাকে কাশফুল উপহার দেন তাঁরা। এরপর আমি ফেরার জন্য গাড়ির দিকে ঘুরতে আচমকা আক্রমণের চেষ্টা করে এক বিজেপি কর্মী। সে ব্যর্থ হয়, পালিয়ে যায়। মানুষ এসবের নিন্দা করেন।”

এখানেই শেষ নয়, বিধায়ক সেখান থেকে চলে আসার পর বিজেপির গুন্ডা বাহিনী সেখানে যায় এবং যারা বিধায়কের সঙ্গে কথা বলেছিলেন তাদের হুশিয়ারি দেয়।

এই প্রসঙ্গে কুণাল লিখেছেন, “আমি বেরিয়ে আসার পর বিজেপির কিছু গুন্ডা সেখানে যায়। যাঁরা আমার সঙ্গে কথা বলছিলেন, তাঁদের মারধর করে। অসীম নামে এক সাধারণ নাগরিককে মারধর করে। আরেকজনকে খুঁজছে। আমি বেলেঘাটা থানাকে জানিয়েছি। অবিলম্বে পুলিশ যাক।” 

 

তাঁর প্রশ্ন, “এই অসভ্যতা চলবে? অসুস্থ লোককে দেখতে গেলে সংগঠিত হামলা হবে? এইসব করে আটকানো যাবে আমাকে? একজনকে কাল থেকে চাকরির জায়গায় হামলার হুমকি দিয়েছে।”

 একটি ভিডিও বার্তায় বলেন, "বিধায়ক হিসাবে আমি রাজধর্ম পালন করতেই একজন অসুস্থ মানুষকে দেখতে গিয়েছিলাম। এরপর বেড়িয়ে সাধারণ মানুষ আমাকে সমস্যার কথা বলছিলেন সেই সময় বিজেপির একজন আমাকে কিছু ছোঁড়ার চেষ্টা করেন সেটা আমার গায়ে লাগেনি। এটা কী হচ্ছে। বিধায়ক নিজের এলাকায় কোথাও যেতে পারবে না! ৬০ হাজার ভোটে জেতার কথা কোনও এজেন্ট বসতে দেয়নি তাও ২৮ হাজার ভোটে জিতেছি। ভোটে হেরে গুন্ডামি করছে বিজেপি। সাধারণ মানুষ বিধায়কের সঙ্গে কথা বলতে পারবেন না? তাদের মারধর করা হবে? আমি বেলেঘাটা থানার ওসিকে বলেছি দেখুন গোটা বিষয়টি।"

বাংলায় অশান্তি ছড়ানোর জন্য দিল্লি থেকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। আর এ রাজ্যে বিজেপির স্থানীয় ক্যাডাররা সেই মতো গুন্ডামি করছে। খোদ নিজের বিধানসভায় আক্রমণের  চেষ্টা করা হয় বিধায়ককে।