তৃণমূলের (TMC) ক্যামাক স্ট্রিটের অফিস উচ্ছেদে মামলায় নিম্ন আদালতের নির্দেশে হস্তক্ষেপ করল না কলকাতা হাই কোর্ট (Calcutta High Court। বুধবার বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্য ডিভিশন বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ ঘটনায় নিম্ন আদালতের নির্দেশে অত্যন্ত তড়িঘড়ি করা হয়েছে।
ক্যামাক স্ট্রিটে পার্টি অফিস (TMC Office Camac Street) খালি করতে বলে ২৫ অগাস্ট যে নোটিশ দিয়েছিলেন সম্পত্তির মালিক, সেই সংক্রান্ত মামলা নিম্ন আদালতেই ফেরত পাঠিয়েছে কলকাতা হাই কোর্ট। তবে, বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্য ও বিচারপতি সন্দীপকুমার দে-র ডিভিশন বেঞ্চ নির্দেশে জানিয়েছেন, এই আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তি করতে হবে নিম্ন আদালতকে। নিম্ন আদালতকে এ বিষয়ে হাইকোর্টের নির্দেশ দিয়েছে, উভয় পক্ষের বক্তব্য যথাযথভাবে শুনতে হবে। শুধু তাই নয়, আইনি বিষয়গুলি যথাযথভাবে দেখে তারপরেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে হবে। ততদিন পর্যন্ত ক্যামাক স্ট্রিটের অফিস থেকে তৃণমূলের কার্যালয় উচ্ছেদ করতে পারবেন না বাড়ির মালিক।
নিম্ন আদালতকে অযথা দেরি না করে পুজোর ছুটির পর ১৫ দিনের মধ্যে সম্পত্তি খালি করার জারি করা নোটিশে যে ইনজাংকশন (স্টেটাস কো) দেওয়া হয়েছে, তার নিষ্পত্তি করতে হবে। কোনওরকম পক্ষপাত না করে দ্রুত সবপক্ষের বক্তব্য শুনে মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি করতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছে বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্য ও বিচারপতি সন্দীপকুমার দে-র ডিভিশন বেঞ্চ।
শুনানিতে বাড়ির মালিক রমাদেবী গোয়েঙ্কার আইনজীবী বলেন, ”আমরা জায়গা খালি করে দেওয়ার জন্য ২৫ অগাস্ট নোটিশ দিয়েছিলাম। সেই নোটিশের বিরুদ্ধে নিম্ন আদালতে আবেদন করা হয়। নিম্ন আদালত নোটিশের উপর স্থগিতাদেশ জারি করেছে। স্টেটাস কো মেনটেন করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”
তৃণমূলের তরফে আইনজীবী শোয়েব আলম বলেন, ”২৪ ঘণ্টার মধ্যে জায়গা খালি করতে বলা হয়। নিয়ম অনুযায়ী অন্তত ১৫দিন সময় দিতে হয়। লিজ রেন্টের ক্ষেত্রে অন্তত ৬মাস টানা ভাড়া না দিলে সেক্ষেত্রে লিজ চুক্তি বাতিল করা যায়। এখানে সেরকম কিছু হয়নি। স্বাভাবিকভাবেই নোটিশ আইন সঙ্গত নয়।”
বাড়ির মালিকের নোটিশের উপর স্থগিতাদেশ জারি করেছিল নিম্ন আদালত। সিটি সিভিল কোর্টের বিচারপতি সুধীর কুমার নির্দেশে জানিয়েছিলেন, মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ওই সম্পত্তিতে স্টেটাস কো (স্থিতাবস্থা) বজায় রাখতে হবে। নিম্ন আদালতের নির্দেশ চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন বাড়ির মালিক। হাইকোর্ট নিম্ন আদালতেই আবার মামলা ফিরিয়ে দিল ৷













