অনুমতি না দিয়ে আটকাতে চেয়েছিল পুলিশ-প্রশাসন। কিন্তু সব বাধা পেরিয়ে মঙ্গলবার নির্ধারিত সময় দুপুর ২টো নাগাদই জ্ঞানেশ কুমারের (Gyanesh Kumar) পদত্যাগের দাবিতে পথে নামল মমতা তৃণমূল (Mamata TMC)। রাজাবাজার থেকে পার্কসার্কাস পর্যন্ত মিছিলের কথা ছিল। আর সেই বিক্ষোভ কর্মসূচি আটকাতে রাজবাজারকে প্রায় দুর্গ বানিয়ে ফেলেছিল প্রশাসন। কিন্তু পূর্ব নির্ধারিত সময় মেনেই মমতা তৃণমূলের ছাত্র-যুব সংগঠন পথে নামেন। ছিলেন, সাংসদ দোলা সেন (Dola Sen), তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh), যুব নেতা মৃত্যুঞ্জয় পাল, অর্ণব বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ অন্যান্যরা। 
এর আগে মিছিলের অনুমতি প্রসঙ্গে কলকাতা পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দা বলেন, "আমরা মিছিলের বিষয়ে কিছু জানি না, পুলিশকে কিছু জানানো হয়নি। কোনও মিছিল হলে প্রথমে পুলিশের কাছে অনুমতির জন্য আবেদন করতে হয়। কত লোক মিছিলে থাকবেন, কোথা থেকে কতদূর পর্যন্ত মিছিল, এসব নিয়ে আলোচনা হয়। মিছিল করার আগে অবশ্যই পুলিশের সঙ্গে কথা বলা উচিত"। 
কুণাল পাল্টা খোঁচা দিয়ে বলেন, মমতা তৃণমূলের ছাত্র-যুব সংগঠনকে আটকটাতেই কেন্দ্রীয় বাহিনী নাময়ে ফেলেছে! কার্যত রুট মার্চ চলছে, গাড়ি দাঁড় করিয়ে যানজট করা হচ্ছে যাতে তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা পৌঁছতে না পারেন। এতেই বোঝা যায় শাসকদল ভয় পেয়েছে। এর পরে গুগাবাবা-র বিখ্যাত গানের লাইন উদ্ধৃত ওরে হাল্লা রাজার সেনা, তোরা যুদ্ধ করে করবি কী তা বল!
আরও পড়ুন: মোদি বিরোধী মন্তব্য মামলায় সাময়িক স্বস্তি রাহুলের, জারি সুপ্রিম স্থগিতাদেশ
বিক্ষোভ সমাবেশে ম্যাটাডোরের উপর থেকে জ্ঞানেশ কুমার ও বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ করেছেন মমতা তৃণমূলের ছাত্র-যুবরা। বারবার স্লোগান ওঠে, “ভোট চোর, গদি ছোড়।“















