রাতের অন্ধকারে তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে হামলার অভিযোগ ঘিরে মুকুন্দপুরে (Mukundapur) নতুন করে সরব তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ (Trinamool MLA Kunal Ghosh)। অভিযোগ, ১০৬ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কর্মী ঝর্ণা দেবীর বাড়িতে ঢুকে তাঁর স্বামী শঙ্করবাবুকে মারধর করা হয়। তাঁর দাঁত ভেঙে দেওয়া হয়েছে। মুকুন্দপুরে তৃণমূলের কর্মসূচি ও মিছিলে অংশ নেওয়া ঝর্ণা দেবীকেও হুমকি দিয়েছে বিজেপির গুন্ডা বাহিনী। তাঁর দাবি, তাঁকে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হয় এবং বলা হয়, ‘‘তৃণমূল ছাড়তে হবে, বিজেপির ঝান্ডা ধরতে হবে। না হলে এখানে বাঁচতে পারবেন না।’’
এই ঘটনার প্রতিবাদেই বিজেপির বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন কুণাল ঘোষ। তাঁর অভিযোগ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘সৈনিক’ হিসাবে পরিচিত মহিলা কর্মীদেরও রেহাই দেওয়া হচ্ছে না। রাতে বাড়িতে ঢুকে পরিবারের সদস্যকে মারধর, মহিলা কর্মীকে হুমকি। এই ঘটনা নিয়ে পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। কুণালের বক্তব্য, যাঁরা হামলা চালালেন তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে উল্টে আক্রান্তদেরই হেনস্থার মুখে পড়তে হচ্ছে। তাঁর প্রশ্ন, ‘‘এটা কি নারী সুরক্ষা?’’
মুকুন্দপুরের সামগ্রিক ঘটনা নিয়েও পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কুণাল। তাঁর দাবি, থানায় শান্তিপূর্ণ ভাবে অভিযোগ জানাতে যাওয়া তৃণমূল কর্মীদের উপরেও হামলা হয়েছে। মহিলা কর্মী প্রিয়ঙ্কা, উপাসনা-সহ একাধিক কর্মী আক্রান্ত হয়েছেন। হুমায়ুন কবীরকেও মেরে মুখ ফাটিয়ে দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, ঝর্ণা দেবীর পরিবারের তরফে গরফা থানায় অভিযোগ জানানো হয়েছে এবং তৃণমূলের পক্ষ থেকে সব রকম সাহায্য করা হবে বলে জানিয়েছেন তৃণমূল বিধায়ক। পরিবারের অভিযোগ, হামলার সময় তাঁদের দু’টি ফোন কেড়ে নেওয়া হয় এবং হেনস্থা করা হয়। পুরো ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি তুলেছে তৃণমূল।













