রাজ্যজুড়ে পালিত হচ্ছে রাখি বন্ধন উৎসব। সৌভাতৃত্ব ও সম্প্রীতির উৎসবে দুধ বিতর্ককে পিছনে ফেলে কলকাতার বিভিন্ন এলাকার ফুটপাথবাসীদের সঙ্গে রাখির আনন্দে শামিল হতে দেখা গেল পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালকে (Agnimitra Paul) । শুক্রবার সকালে গড়িয়াহাট-সহ বিভিন্ন এলাকায় যান তিনি। অটোচালকদের রাখি পুড়িয়ে দেয়ার পাশাপাশি ফুটপাথবাসী শিশুদের হাতে চকোলেট ও লাড্ডু তুলে দিতেও দেখা গেল মন্ত্রীকে।
আজ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের (Govt of West Bengal) তরফ থেকে বাংলার সর্বত্র সরকারিভাবে রাখে উৎসব পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেই মতো সকাল থেকেই শুরু হয়েছে কর্মসূচি। বিজেপির বিভিন্ন নেতা মন্ত্রী কর্মীরা একে অপরকে রাখি পরিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সঙ্গে জনসংযোগ বাড়ানোর চেষ্টা করছেন। দিন কয়েক আগেই কলকাতা পার্ক স্ট্রিটে ফুটপাথবাসী মহিলার ( সীতা দেবী) দুধ গরম করাকে কেন্দ্র করে অগ্নিমিত্রা যে আচরণ করেছিলেন তার নিন্দায় সরব হয় বিরোধীরা। পরিস্থিতি সামাল দিতে বাধ্য হয়ে আসলে নামতে হয় স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রীকে। এরপর শুক্রবার সকালে পুরমন্ত্রীকে সম্পূর্ণ অন্য মেজাজে দেখা গেল। মুখে এক গাল হাসি আর একগুচ্ছ উপহার নিয়ে শহরের বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দাদের রাখি পরান তিনি। তাঁদের মধ্যে ছিলেন ফুটপাথবাসীরাও। অগ্রিমিত্রার কথায়, “সবাই তো বন্দেমাতরম বলে, সকলে ভারতের নাগরিক, কেন রাখি পরাব না?” এদিন অবশ্য পার্ক স্ট্রিট নিয়ে তিনি বলেন "আমি সীতা দেবীর বিরুদ্ধে নই। উনি ব্যস্ত রাস্তার পাশে যেভাবে এক গামলা দুধ গরম করছিলেন এবং পাশে শিশু দৌড়দৌড়ি করছিল আমি তার বিরোধিতা করেছি। আমি খুব রেগে গেছিলাম তাই ভেবেচিন্তে কথা বলিনি। ওইভাবে কথা বলা অন্যায় হয়েছে। আমরা শেলটার রুমে থাকার ব্যবস্থা করেছিলাম, উনি থাকতে চান নি। আমাদের কার্যকর্তা একটি হোটেলে তাঁকে চাকরি দিয়েছেন। এরপর একটি হোটেলে তাঁর থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে, তিনি সেখানে শিফট করেছেন।"এদিন যাদবপুর নিয়েও মুখ খোলেন তিনি। সাফ জানিয়ে দেন যাদবপুরে কোনও বিশৃঙ্খলা, অনৈতিক, দেশবিরোধী কাজ বরদাস্ত করা হবে না।















