যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে (Jadavpur University) মাঝরাতে হামলার অভিযোগকে কেন্দ্র করে তীব্র আক্রমণ তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষের (Trinamool MLA Kunal Ghosh)। তাঁর বক্তব্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতরের কোনও অংশের কাজকর্ম বা মতাদর্শ নিয়ে আপত্তি থাকতেই পারে, কিন্তু বাইরে থেকে লোক ঢুকিয়ে পড়ুয়াদের উপর হামলা কোনওভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।
মধ্যরাতে বিশ্ববিদ্যালয়ে হামলা-আগুন, এটা কি জঙ্গলের রাজত্ব? যাদবপুরকাণ্ডের প্রতিবাদ কুণালের
Sponsored

কুণাল বলেন, ‘‘যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতরের একাংশের কর্মপদ্ধতিতে আমরা একমত নই। তাদের কিছু কাজকর্ম, দৃষ্টিভঙ্গি বা পদ্ধতি নিয়ে আমাদের আপত্তি রয়েছে। কিন্তু তার মানে এই নয় যে বাইরে থেকে গুন্ডা নিয়ে এসে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের উপর হামলা করা হবে। এটা কোনও সভ্য সমাজে হতে পারে না। এটা কি জঙ্গলের রাজত্ব?’’
মাঝরাতের ঘটনায় আগুন ব্যবহারের অভিযোগ নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। তাঁর কথায়, ‘‘আগুন নিয়ে রাতে বড়সড় দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারত। আরও বড় কোনও বিপদ ঘটলে তার দায় কে নিত?’’ তাঁর অভিযোগ, একটি বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে বাইরে থেকে লোক ঢুকে হামলা চালানো এবং বিজেপির বিধায়কদের তরফে তাকে সমর্থন বা উসকানি দেওয়া কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
কুণালের বক্তব্য, যাদবপুরের ভিতরে যাঁরা রয়েছেন, তাঁদের রাজনৈতিক পরিচয় বা মতাদর্শ যা-ই হোক, তা নিয়ে রাজনৈতিক বিরোধিতা থাকতে পারে। কেউ বামপন্থী বা অন্য কোনও মতের অনুসারী হতে পারেন। কিন্তু সেই মতপার্থক্যের জেরে বাইরে থেকে লোক এনে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতরে হামলা চালানোর অধিকার কারও নেই।
এই প্রসঙ্গেই রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও বিজেপিকে নিশানা করেন তৃণমূল বিধায়ক। তাঁর দাবি, যাদবপুরের মতো দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বহিরাগতদের হামলার অভিযোগ বাংলার শিক্ষা ও সংস্কৃতির ভাবমূর্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। কুণালের কটাক্ষ, ‘‘গুন্ডারাজ ও জঙ্গলরাজের যে ছবি তৈরি করার চেষ্টা চলছে, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের মাঝরাতের ঘটনায় সেটাই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।’’ তাঁর আরও অভিযোগ, দেশের অন্যতম সেরা মেধাকেন্দ্রে এমন ঘটনা গোটা দেশের শিক্ষা মহলে বাংলার মুখ পুড়িয়েছে।
Sponsored

Sponsored

Sponsored

Sponsored













