শালবনির জমি দুর্নীতি মামলায় সিআইডির নোটিশ। অবশেষে ভবানী ভবনে হাজিরা দিলেন অভিষেকের আপ্তসহায়ক সুমিত রায়। সোমবার ৯.৪৫ মিনিটে ভবানী ভবনে আসেন সুমিত। চলছে ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ।
শুক্রবার রাতে সুমিতের ক্যানল রোডের বাড়িতে এসে নোটিশ দেয় সিআইডির একটি দল।গোয়েন্দা বিভাগের সদস্যরা তাঁর বাড়িতে সমন দেন। শুক্রবার রাতে সিআইডি-র একটি টিম ও বেহালা থানার পুলিশ সুমিতের নিউ আলিপুরের বাড়িতে পৌঁছে যায়। বাড়ির সামনে বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে হয় তদন্দকারী আধিকারিকদের। এরপরই হাজিরা দেওয়ার জন্য সমন দেওয়া হয়।
সুপ্রিম কোর্টের পক্ষ থেকে রক্ষাকবচ পাওয়ার পরই দীর্ঘদিন পর প্রকাশ্যে এলেন সুমিত। হাইকোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে রক্ষাকবচ চেয়ে সুমিত সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেন। শীর্ষ আদালত সুমিতকে সাময়িক স্বস্তি দিয়ে বলে, পরবর্তী শুনানির দিন পর্যন্ত সুমিতকে গ্রেফতার করা যাবে না। তবে তিনি তদন্তে সহযোগিতা করবেন। সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত সুমিতকে জিজ্ঞাসাবাদ করা যাবে।
সু্প্রিম কোর্টে স্বস্তি পাওয়ার পরের দিনেই ভবানী ভবনে হাজিরা দিলেন অভিষেকের আপ্ত সহায়ক। মেদিনীপুরের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক, এই মুহূর্তে জেলবন্দি সুজয় হাজরাকে গ্রেফতারের পরই উঠে আসে সুমিতের নাম। শালবনির জমি দুর্নীতিতে তাঁর নাম জড়িয়েছে।
পাশাপাশি অভিযোগ উঠছে, ছাব্বিশের ভোটে টিকিট পাইয়ে দেওয়ার নামে লক্ষ লক্ষ টাকা আদায় করেছে। এছাড়া শালবনিতে একটি জমি দুর্নীতি মামলাতেও অভিযুক্ত হিসেবে নাম রয়েছে সুমিতের।















