মির্জা গালিব স্ট্রিটে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার বড়সড় প্রভাব পরেছে কলকাতা চিকিৎসা করতে আসা বা বেড়াতে আসা বাংলাদেশিদের নাগরিকদের মনেও। হোটেল শিখা ইনে বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডে প্রাণ হারিয়েছেন আটজন বাংলাদেশের নাগরিক। মির্জা গালিব স্ট্রিটে বেশিরভাগ হোটেলেই থাকেন বাংলাদেশের নাগরিকরা। মূলত তারা এপার বাংলার আসেন চিকিৎসাই করাতে। মঙ্গলবার গভীর রাতের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার রেশ পড়েছে। তাদের চোখে মুখে আতঙ্কের ছাপ। ৮ দেশবাসীর মৃত্যুতে বেদনায় আচ্ছন্ন বাংলাদেশের কলকাতায় থাকা বাংলাদেশের নাগরিকরা।
ওপার বাংলা থেকে চিকিৎসা করাতে পরিবার সহ এসেছিলেন আরাফাত ইউসুফ। তিনিও ছিলেন হোটেল শিখা ইনে। বুধবার সকালে হোটেল পরিবর্তন করেন সেই ঘটনার কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন রাত ১:৪০ মিনিট নাগাদ হোটেলে হৈচৈ এর শুনতে পাই অনেক মহিলা এবং শিশুদের আওয়াজ শুনতে পাই পরে বুঝতে পারি হোটেলে আগুন লেগেছে। কিন্তু বেড়ানোর অত সহজ ছিল না। পুলিশ এবং দমকল এসে আমাদের ল্যাগেজ সহ উদ্ধার করে। এই ঘটনায় আমাদের মধ্যে যথেষ্ট আতঙ্কিত ছড়িয়েছে আমরা চিকিৎসার জন্য এখানে এসে বিপদের মধ্যে পড়তে হচ্ছে। আমাদের দেশের ৮ জন নাগরিক মারা গেলেন। আমরা সরকারকে অনুরোধ করছি বিষয়টা দেখতে।
কলকাতা চিকিৎসা করাতে এসেছেন আরও এক বাংলাদেশের মহিলা নাগরিক। নিজে ক্যান্সার আক্রান্ত। শিখা ইন হোটেলের কাছেই ছিলেন, আবেগে এবং কান্নায় ভেঙে পড়লেন গত রাতের অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে। তাঁর কথায়, ভারত বাংলাদেশের ২ সরকারের সম্পর্ক এখন ভালো নয় তার প্রভাব পড়ছে আমাদের ওপরে। আমাদের সহ নাগরিক মারা গেলেন, এটা খুবই কষ্টের। আমাদের এখানে এসে এখন অনেক সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে।
কলকাতায় বেড়াতে আসা বাংলাদেশের এক পর্যটক বলেন, আমরা বেড়াতে এসেছি, খবর পেয়েই এখানে চলে এসেছি যদি আমাদের পাড়া প্রতিবেশী এখানেই কেউ থাকেন সেটা দেখতে। আমরা এখন খুবই আতঙ্কিত। দেশ থেকে বার বার ফোন করেছেন আত্মীয়রা।















