ধর্মতলায় (Dharmatala) নিট-প্রশ্নফাঁস আন্দোলন ঘিরে সংঘর্ষ ও বিতর্কের পর রাজ্যের রাজনীতিতে পালটা বার্তা দিতে সোমবার তিরঙ্গা যাত্রার আয়োজন বিজেপির। দলের বক্তব্য, এটি কোনও রাজনৈতিক দলের শক্তিপ্রদর্শন নয়; রাষ্ট্রের সম্মান এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের সমর্থনে নাগরিকদের অংশগ্রহণেই এই কর্মসূচি হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Chief Minister Suvendu Adhikari) উত্তরবঙ্গ সফরে থাকলেও তাঁর নির্দেশ মেনেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে এই পদযাত্রা সংগঠিত হয়েছে বলে দাবি বিজেপির। অন্যদিকে মিছিলে দেখা যায় আরেকটা ঘটনা। বিজেপির কর্মীরা সিপিএম, এসএফআই এবং ডিওয়াইএফআই-এর পোস্টারে পা দেওয়ার চেষ্টা করে। সেই ঘটনাটি নজরে আসে শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রী তাপস রায়ের। তিনি সঙ্গে সঙ্গে তাঁদের বাধা দেন। এবং ঘটনাস্থল থেকে ওই কর্মীদের সরিয়ে দেন।
ধর্মতলার ঘটনার পাল্টা, তিরঙ্গা হাতে রাজপথে বিজেপি
Sponsored

উত্তর থেকে দক্ষিণ কলকাতার দুই প্রান্তে আলাদা আলাদা কর্মসূচি হয় বিজেপির। শিয়ালদা (Sealdah) থেকে ধর্মতলার ডোরিনা ক্রসিং (Dorina Crossing) এবং গোলপার্ক থেকে যাদবপুর ৮বি বাসস্ট্যান্ড (Golpark to Jadavpur 8B Bus Stand) পর্যন্ত দেশের পতাকা হাতে পদযাত্রা করেন অংশগ্রহণকারীরা। দেশাত্মবোধক গান, ঢাকের আওয়াজ, মহিলা ঢাকিদের উপস্থিতি এবং মতুয়া সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে কর্মসূচি নজর কাড়ে। উত্তর কলকাতার মিছিলে উপস্থিত ছিলেন তমোঘ্ন ঘোষ, তাপস রায়, সজল ঘোষ, শঙ্কুদেব পণ্ডাসহ একাধিক বিজেপি নেতা।
এই কর্মসূচি থেকে ককরোচ জনতা পার্টিকে (CJP) ঘিরে কড়া রাজনৈতিক আক্রমণ শানায় বিজেপি। বিভিন্ন প্ল্যাকার্ডের পাশাপাশি প্রতীকীভাবে 'আরশোলা মারার ওষুধ' দেখিয়ে সিজেপির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানো হয়। এছাড়া তাপস রায় বলেন, "দেশের বিভিন্ন রাজ্যে বহুবার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা ঘটেছে । পশ্চিমবঙ্গেও অতীতে এমন ঘটনা ঘটেছে । অথচ এখন এই বিষয়টি নিয়ে শুধুমাত্র রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে আন্দোলন করা হচ্ছে । সাধারণ মানুষের স্বার্থ নয়, রাজনৈতিক ফায়দাই এখানে মূল লক্ষ্য ।”
২৪ জুলাই ধর্মতলায় নিট-প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদে পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভ হয় আন্দোলনকারীদের। সেই বিক্ষোভে সরকারি সম্পত্তি নষ্ট এবং সাংবাদিকদের উপর হামলারও অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনায় ইতিমধ্যেই কয়েকজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
Sponsored

Sponsored

Sponsored

Sponsored

Sponsored













