যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় (Jadavpur University) থেকে মিটিং করে বাইরে বেরোনোর সময় পড়ুয়াদের ধাক্কাধাক্কিতে পড়ে গিয়ে আহত হয়েছেন উপাচার্য চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য (Chiranjib Bhattacharya)! অনভিপ্রেত ঘটনায় ফের একবার খবরের শিরোনামে শহরের অন্যতম সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
এসএফআই- এবিভিপি সংঘর্ষের জেরে তৈরি হওয়া উত্তেজনার পরিস্থিতির এক সপ্তাহ কাটার আগেই এবার পড়ুয়াদের ধাক্কাধাক্কিতে আহত হলেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য। চিরঞ্জীবের নিরাপত্তারক্ষীরা অন্তত সেরকমই দাবি করেছেন। সোমবার দুপুর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের অল স্টেকহোল্ডার মিটিং (JU Stakeholder Meeting) শুরু হয়। প্রায় রাত ৯টা পর্যন্ত বৈঠক চলে।সেখানে মূলত চার দফা দাবি নিয়ে উপস্থিত হয়েছিলেন বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের প্রতিনিধি ও সাধারণ পড়ুয়ারা। মিটিং শেষ করে বেরোনোর মুখে আচমকাই এই ঘটনা ঘটে। আন্দোলনকারী ছাত্র-ছাত্রীদের দিকে আঙ্গুল তুলে উপাচার্যের নিরাপত্তারক্ষীরা জানিয়েছেন, দীর্ঘক্ষণ বৈঠক শেষে চিরঞ্জীব যখন বাইরে বেরিয়ে আসছিলেন তখন আন্দোলনরত পড়ুয়ার তাঁকে ঘিরে ডাকাডাকি শুরু করেন। তাতেই আহত হয়েছেন উপাচার্য, পায়ে চোট পেয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। যদিও আন্দোলনকারী পড়ুয়ারা সেই দাবি নস্যাৎ করেছেন। ছাত্রছাত্রীদের বক্তব্য, উপাচার্য সম্পূর্ণ কাল্পনিক গল্প তৈরি করছেন এবং সহানুভূতি পাওয়ার জন্য ‘নাটক’ করছেন।
উপাচার্য ঠিক কীভাবে পড়ে গেলেন তা নিয়ে যখন সংশয় তৈরি হয়েছে ঠিক তখন বৈঠক প্রসঙ্গে এসএফআই সদস্য অঞ্জিল অভিযোগের সুর চড়িয়ে বলেন, "আমরা অত্যন্ত শান্তভাবে উপাচার্যের সঙ্গে আমাদের চার দফা দাবি নিয়ে কথা বলছিলাম। কিন্তু আমাদের বক্তব্য অর্ধেক শুনেই তিনি হঠাৎ করে মাঝপথে বৈঠক ছেড়ে বেরিয়ে যেতে চান। আমরা স্বাভাবিকভাবেই সেই মুহূর্তে ওঁকে রোখার চেষ্টা করি এবং আটকে দিই।" ইন্দ্রানুজ রায় নামে এক পড়ুয়া কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর কথায়, সিসিটিভি ফুটেজ দেখলেই গোটা বিষয়টা পরিষ্কার হয়ে যাবে এবং প্রমাণ হয়ে যাবে উপাচার্যের নিরাপত্তারক্ষীরা সত্যি কথা বলছেন না। অভিযোগ পাল্টা অভিযোগে ফের একবার খবরের শিরোনামে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়।
















