স্বাধীনতা দিবসের (Independence Day) সকালে হঠাৎ তৃণমূল কংগ্রেসের মেট্রোপলিটন পার্টি অফিসে (Trinamool Congress Metropolitan Party Office) হাজির তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ (Trinamool MLA Kunal Ghosh)। চমকে দিলেন দলের বেইমান নেতাদের। বেইমানদের দখল করা পার্টি অফিসে গিয়ে স্বাধীনতা দিবসে পতাকা উত্তোলন করে এলেন। চাঁছাছোলা বক্তব্যে ক্ষুরধার আক্রমণ বিজেপিকে (BJP)। নেতাজি অবমাননাকারী বিজেপি সাংসদ অনন্ত মহারাজকে (Ananta Maharaj) অবিলম্বে গ্রেফতারির দাবি জানালেন।
বেইমানদের চমকে দিয়ে হঠাৎ মেট্রোপলিটনের দলীয় কার্যালয়ে কুণাল! বিজেপিকে চরম বার্তা
Sponsored

তৃণমূলের তপসিয়ার মূল কার্যালয়ে স্বাধীনতা দিবসের পতাকা উত্তোলনের পর ফিরছিলেন কুণাল। ফেরার পথে তিনি দেখেন তাদের মেট্রোপলিটন অফিসে স্বাধীনতা দিবসের পতাকা উত্তোলন হচ্ছে। তা দেখে সটান তিনি প্রবেশ করেন অফিসে। তখন সেখানে উপস্থিত অরূপ রায়, চন্দ্রিমা ভট্টাচাৰ্য-সহ অন্যান্যরা। শহিদ বেদিতে মালা দেন। বক্তব্যও রাখেন। কুণাল বলেন, পুরনো পার্টি অফিসে পতাকা তুলে ফিরছিলাম। দেখলাম এই অফিসেও ১৫ আগস্টের পতাকা উত্তোলন করা হচ্ছে। আমি এই এলাকার বিধায়ক, এটা আমার বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে পড়ে। সুতরাং আমার মনে হল এই পার্টি অফিসের পতাকা উত্তোলনেও অংশ নিই। সেজন্যই ঢুকলাম। শহিদ বেদিতে ফুল দিলাম, শ্রদ্ধা জানালাম। তারপরে বক্তৃতাও করলাম।
মেট্রোপলিটনের দলীয় কার্যালয়ে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে কুণাল বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বেই তৃণমূল কংগ্রেস চলছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) নেতৃত্বেই তৃণমূল কংগ্রেস আন্দোলন করছে। আমরা গর্বিত, আজকে দেশ স্বাধীন। আমরা স্বাধীন দেশের নাগরিক। স্বাধীনতা সংগ্রামীদের অবদান। কিন্তু আজকে যেভাবে দেশের সাধারণ মানুষ, গরিব মানুষ, কৃষক, শ্রমিক-সহ বিভিন্ন শ্রেণির মানুষকে নরেন্দ্র মোদি সরকার সর্বনাশের জায়গায় নিয়ে চলে গিয়েছে, তো এই স্বাধীনতাটা সত্যিই কি সবার কাছে গিয়ে পৌঁছাচ্ছে? সেইসঙ্গে দেশনায়ক নেতাজিকে যেভাবে অপমান করে চলেছেন বিজেপির নেতারা, তা বাংলার অপমান, দেশের অপমান। নেতাজিকে যে ভাষায় অপমান করেছেন বিজেপির সাংসদ অনন্ত মহারাজ, শুধু লোকদেখানো ক্ষমা চাওয়া বা একটা এফআইআর করলেই হবে না। তাঁকে অবিলম্বে গ্রেফতার করা উচিত। তাঁর সাংসদ পদ খারিজ করুক বিজেপি। বিজেপি যদি নেতাজিকে সম্মান জানাতে চায় তবে সবার আগে নেতাজি-বিদ্বেষী ওই সাংসদকে দল থেকে তাড়াক।
ঋতব্রত শিবিরের অরূপ রায় বলেন, কুণাল ঘোষ এসেছেন, আমরা আমাদের ভদ্রতা দেখিয়েছি। মালা দিয়েছেন, বক্তৃতা রেখেছেন। তিনিও তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী। আমরাও চাই একসঙ্গে লড়াই করতে। তবে পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়েছে। যে সমস্ত কর্মী আমাদের সঙ্গে আছেন, আমরা তাদেরকে নিয়েই কাজ করব।
Sponsored

Sponsored

Sponsored

Sponsored













